রোববার (৩ মে) ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে ৫৮ জন তালিকাভুক্ত চাঁদাবাজ। এ সময় চাঁদাবাজির বিভিন্ন আলামতও জব্দ করা হয়েছে।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, চাঁদাবাজদের ছাড়াতে কেউ তদবির করলে তাকেও চক্রের সদস্য হিসেবে বিবেচনা করা হবে। এ ধরনের তদবির কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

তিনি আরও জানান, শুধু চাঁদাবাজিই নয়, অন্যান্য অপরাধ দমনেও সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ইতোমধ্যে একাধিক ছিনতাইকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং সাম্প্রতিক ছিনতাইয়ের ঘটনাগুলো শনাক্ত করা হয়েছে।

অপরাধ দমনে হটস্পটভিত্তিক অভিযান চালানো হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, অনলাইন প্রতারণায় জড়িতদেরও আইনের আওতায় আনা হচ্ছে। পাশাপাশি বাজার ও জনবহুল এলাকায় পুলিশি তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে।

ডিএমপি কমিশনার আরও বলেন, অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করে নতুন পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন এবং বিভিন্ন স্থানে সিসি ক্যামেরা বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া মোহাম্মদপুর এলাকার রায়েরবাজার-এ নতুন থানা গঠনের প্রস্তাব স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-এ পাঠানো হয়েছে।

পুলিশের দাবি, এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে রাজধানীতে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আরও কার্যকর ফল পাওয়া যাবে।

এস