"জাতির জনক বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার পর গণভবনে অফিস করতেন, এই গণভবন দেশের জনগণের ভবন" এমনটিই বললেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শনিবার দুপুর ১২টার দিকে জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্ট আয়োজিত শিশু-কিশোরদের চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতার পুরষ্কার প্রদান উপলক্ষে গণভবনে এক বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার পর গণভবনে অফিস করতেন। আপনারা এখানে এসেছেন আপনাদের অভিবাদন। এই ভবনতো দেশের জনগণের ভবন।

তিনি নিজের দোষ স্বীকার করে বলেন, বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন উপলক্ষে আমরা প্রতিবছর শিশু-কিশোর নিয়ে প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। প্রতিবছর এই প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণের কথা থাকলেও তা নিয়মিত হয়নি। আসলে আমি সময় দিতে পারিনি, আমার দোষেই হয়নি। এজন্য আমি দুঃখিত।

তিনি সকল শিশুদের অশির্বাদ জানিয়ে বলেন, চত্রিাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া সকল শিশুদের জন্য রইল আমার অশির্বাদ।

ট্রাস্টের অন্যান্য কার্যক্রম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের সহায়তায় সামাজ কল্যান মন্ত্রনালয়ের অধীনে একটি হাসপাতাল নির্মান করা হয়েছে। যেখানে সকল গরীব-দুস্থ মানুষের জন্য ফ্রি চিকিৎসার ব্যাবস্থা করা হয়েছে। ওই হাসপাতাল থেকে কোনো লাভের অংশ গ্রহণ করা হয় না। বিনা পয়সায় রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হয়।

এমআর