রাজধানী বিপণি বিতানগুলোতে এখনো ঈদের কেনা-কাটা না জমলেও শবেবরাতের পর থেকেই সরগরম গজ কাপড়, লেইস-ফিতার দোকানসহ দর্জি পাড়া।

নিজস্ব ডিজাইন সেই সাথে সঠিক মাপে ঈদের পোশাকটি বানাতে এখন অনেকেই ছুটছেন এসব দোকানে। আর কাপড়ের সাথে মিলিয়ে লেইস ফিতার দোকানের চোখ ধাঁধানো বাহারি লেইসে আটকে যাচ্ছে ক্রেতা মন। আর ঈদকে ঘিরে দর্জিপাড়ার চিরচেনা ব্যস্ততার যেন অন্ত নেই।

ঈদে নিজের ডিজাইন করা পোশাকই অনেকের প্রথম পছন্দ। তাইতো পছন্দের পোশাকটি বানাতে গজ কাপড়ের দোকানে এখন তরুণীসহ সব বয়সী নারীদের ভিড়।

বর্ষা মৌসুম সেই সাথে গরমের কারণে এবার সুতি-ভয়েলের মাঝে এমব্রয়ডারি-চুমকি-পুতির কারুকাজের পাশাপাশি চলছে এক কালার জর্জেট আর শিফন।

তারা বলছেন, 'ডিজাইন করে নিজের কাপড়গুলো পরতে পছন্দ করি। সেক্ষেত্রে ফিটিং ভালো হয়। বেশি দেরি হলে দর্জিরা কাপড় নিতে চায় না। তাই একটু আগে কাপড় কিনে ফেললাম।'

নিজের ডিজাইন করা পোশাকটি সব থেকে আলাদা ও আকর্ষণীয় করতে গজ কাপড়ের সাথে মিলিয়ে নেয়া হচ্ছে জমকালো লেইস, ডিজাইন করা শো-বোতামসহ রঙ-বেরঙের টার্সেল।

কয়েকজন বলেন, 'ইন্টারনেটে দেখে দেখে অনেক পছন্দ করে মার্কেটে এসেছি। এরপর নিজের পছন্দ মতো পোশাক তৈরি করবো। কেনা পোশাক খুব বেশি পরা হয় না। যার কারণে নিজের পছন্দ মতো কাপড় কিনে পোশাক তৈরি করবো।'

কাপড় আর লেইস ফিতার দোকান থেকে মনের মত নকশা, বুনন আর সঠিক মাপ দিয়ে ঈদের পোশাকটি বানিয়ে নিতে ক্রেতারা ছুটছেন দর্জি পাড়ায়। গ্রাহকের মনের মত নকশার পোশাকটি বানাতে দিন-রাত ব্যস্ত সময় পার করছেন দর্জিরা।

১৫ রোজা পর্যন্ত কাপড়ের অর্ডার নেয়া হলেও দর্জিদের এই ব্যস্ততা চলবে চাঁদ রাত পর্যন্ত।

জেআই