গত ৫ বছরে কোনো পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।
বৃহস্পতিবার দশম জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে লক্ষ্মীপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবদুল্লাহর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী সংসদকে এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, তবে গত মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড, ঢাকার অধীন অনুষ্ঠিত এইচ.এস.সি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ পাওয়ায় বিষয়টি খতিয়ে দেখা হয়। প্রথমিক সত্যতা পাওয়ায় ইংরেজি দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা স্থগিত করে নতুন প্রশ্ন ছাপিয়ে পরবর্তীতে নতুন করে পরীক্ষা নেয়া হয়।
মন্ত্রী বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসের এ ঘটনা তদন্তে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ঢাকা একটি কমিটি গঠন করে। একই সঙ্গে উল্লেখিত বিষয়টি তদন্তের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ও একটি  কমিটি গঠন করে। যার তদন্ত কার্যক্রম চলমান আছে। তদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পরে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য এ দুটি ঘটনায় ফরিদপুরে ও দায়েরকৃত দুটি মামলায় তিন জন হাজতে আছে। মামলাও চলমান রয়েছে।
ঝিনাইদহ-৪ আসনের সদস্য মো. আনোয়ারুল আজীমের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, “বেসরকারি স্কুলের বেতন ও ভর্তি ফি প্রদানের জন্য সরকার নীতিমালা প্রণয়ন করেছে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উক্ত নীতিমালার ব্যত্যয় ঘটিয়ে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ফি’র চেয়ে অধিক ফি আদায় করলে তদন্তক্রমে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
সিলেট-৫ আসনের সংসদ সদস্য সেলিম উদ্দিনের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, শিক্ষার গুণগতমান মান কম হওয়ায় গ্রামের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রী কম ভর্তি হয়। তবে বর্তমানে সরকারের নানাবিদ উদ্যোগের ফলে শহর ও গ্রামের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার গুণগত মানের ফারাক কমে এসেছে। ফলে বর্তমানে গ্রামের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও পূর্বের তুলনায় শিক্ষার্থী ভর্তির হার বৃদ্ধি পেয়েছে।
ঢাকা, ২৬ জুন (টাইমনিউজবিডি.কম) // এআর