শনিবার রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টার-এ এক পরামর্শ সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। সভার আয়োজন করে ব্র্যাক-এর সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনি সুরক্ষা কর্মসূচি।

আইনমন্ত্রী জানান, ঈদের দিন প্রধানমন্ত্রী তাকে ফোনে বার্তা পাঠিয়ে মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চান। পরে বিস্তারিতভাবে বিষয়টি তাকে অবহিত করা হয়। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে এ মামলায় একজন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, মামলাটি বর্তমানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-এর অধীন হলেও আইন মন্ত্রণালয়ও বিষয়টি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ২০ মার্চ কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায় খুন হন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী সোহাগী জাহান তনু। টিউশনি করতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়ার পর তার মরদেহ উদ্ধার করা হয় সেনানিবাসের একটি জঙ্গল থেকে। পরদিন তার বাবা অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলাটি প্রথমে থানা-পুলিশ, পরে ডিবি ও সিআইডি তদন্ত করলেও কোনো রহস্য উদঘাটন করতে পারেনি। পরবর্তীতে ২০২০ সালে মামলার তদন্তভার দেওয়া হয় পিবিআই-কে।

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, তনুর পোশাক থেকে সংগৃহীত নমুনায় তিনজন পুরুষের ডিএনএ পাওয়া গেলেও এতদিন তা সন্দেহভাজনদের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয়নি। সম্প্রতি আদালতের নির্দেশে তিন সন্দেহভাজনের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এর মধ্যে একজনকে গ্রেফতার করে তার নমুনা নেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন করে ডিএনএ পরীক্ষা ও তদন্ত তৎপরতা বাড়ায় বহুল আলোচিত এই মামলার রহস্য উন্মোচনে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

এস