পবিত্র রমজান ও ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে রাজধানীসহ দেশে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এ জন্য পুলিশ, র‌্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সংস্থাকে সতর্ক অবস্থানে রাখা হয়েছে।

চাঁদাবাজি রোধ এবং এ সময় সুনির্দিষ্ট তথ্য ছাড়া মহাসড়কে কোনো যানবাহন আটকানো যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ সদরদপ্তর সূত্রে জানা যায়, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক বলেছেন, রমজান ও ঈদে সব ধরনের চাঁদাবাজি বন্ধে তৎপর থাকতে হবে। চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে “জিরো টলারেন্স” নীতি পালন করতে হবে।

সার্বিক আইনশৃঙ্খলা, ট্রেন, বাস ও নৌপথে নিরাপদ চলাচল ও যাত্রীদের নিরাপত্তা, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা, ঈদ জামায়াতের নিরাপত্তা এবং জাল টাকার অপব্যবহার রোধসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।  

তিনি আরো বলেন, ঢাকা মহানগরসহ দেশে চাঁদাবাজি, ছিনতাই ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপ রোধে বিশেষ নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ, পকেটমার ও অজ্ঞান পার্টির তৎপরতা প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা নিয়োজিত থেকে সার্বক্ষণিক কাজ করবে।

দেশের বড় বড় বিপণী বিতান ও শপিংমল যথাসম্ভব সিসিটিভির আওতায় এনে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা গ্রহণ করতে হবে।

জনসাধারণের কেনাকাটার সুবিধার্থে এবং তারাবির নামাজের সময় অপরাধমূলক তৎপরতা রোধে গভীর রাত পর্যন্ত নৈশ টহলের ব্যবস্থা, ব্যাংক ও অর্থলগ্নী প্রতিষ্ঠানে বড় অংকের আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে জনসাধারণকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয় সভায়।

এসএম