এমন কাব্যিক ভাষায় যেন হাতছানি দিয়ে ডাকছে প্রত্যেক পথিককে সীমান্তের একটি দৃষ্টিনন্দন স্থাপনা। তাই এখানে এলেই যেন সকল পথিক থেমে যায় এটি এক নজর দেখার জন্য।

এশিয়া মহাদেশের এই দৃষ্টিনন্দন স্থাপনা বেনাপোল পৌরসভার প্রবেশদ্বার। পৌর স্বাগতম গেট প্রকল্পের এটি একটি নান্দনিক স্থাপনা। যার উচ্চতা ৫৩ ফুট এবং প্রশস্থ ১৪৪ ফুট।

এটি নির্মাণ করতে নির্মাণ শ্রমিকদের ৭৩০ দিন সময় লেগেছে। সাড়ে ৭ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এ স্থাপনাটি আজ দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে বাংলাদেশের মর্যাদা বৃদ্ধি করেছে। শুধু বাংলাদেশের নয়, পাশ্ববর্তী দেশ ভারতেরও মর্যাদা বৃদ্ধি করেছে এ স্থাপনাটি।

এই স্থাপনাটির সাথে জড়িয়ে আছে দেশ ও জাতীর সম্মান ও মর্যাদার এমনটি জানালেন বেনাপোল পৌরসভার মেয়র আশরাফুল আলম লিটন। তিনি বলেন, ‘এমন একটি দৃষ্টিনন্দন স্থাপনা নির্মাণ করার স্বপ্ন ছিল আমার। আমি চাইতাম এমনকিছু করতে, যা দেশ ও জাতীর সম্মান ও মর্যাদা বৃদ্ধি করবে।

দেশের বিভন্ন জেলার লোকজন প্রতিদিন বিকালে এখানে এসে ভিড় জমান। আর তারসাথে স্থানীয় যুবসমাজ ও তরুণ’রা এখানে এসে ছবি তোলা সহ তাদের প্রিয়জনদের সাথে সময় দেওয়ার জন্য বেনাপোল প্রবেশ করার গেটের স্থানটি বেঁছে নিচ্ছেন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় প্রতিদিন শত শত তরুণ তরুণী’রা তাদের প্রিয়জনদের সাথে এখানে আসছেন ছবি তুলতে আবার কেউ কেউ আসছেন প্রকৃতির সৌন্দর্য দেখতে আসেন।

ব্রিটিশ শাসনামলের যশোর-কলকাতা মহাসড়কের কালিবাবুর রোড ধরে আন্তর্জাতিক চেকপোস্টের জিরো পয়েন্টে যেতে বেনাপোল পৌরসভার শুরুতেই এই দৃষ্টিনন্দন পৌর প্রবেশদ্বারটি নির্মাণ করা হয়েছে।

সৌন্দর্যে ভরা এ স্থাপনাটি দেখতে দেশি-বিদেশি দর্শনার্থীদের ভিড় জমছে সকাল-বিকেল। এরইমধ্যে সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের মন্ত্রী, সচিবসহ সরকারি কর্মকর্তারা পরিদর্শন করেছেন এটি। এ স্থাপনাটি দেখতে কোনো টিকেট বা পয়সা লাগে না।

দর্শনার্থীদের পরিসেবার জন্য পৌরসভার পক্ষ থেকে এখানে ব্যবস্থা করা হয়েছে সুপেয় পানি, টয়লেট সুবিধা, কার পাকিং এবং মানসন্মত রেস্টুরন্ট। তাই প্রতিদিন হাজার হাজার দর্শনার্থী, প্রেমিক-প্রেমিকা হাজির হচ্ছেন এখানে। এএস/নাছির