পেঁয়াজ মজুদ করে কেউ কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করতে চাইলে তাদের মনে রাখতে হবে পেঁয়াজও পচে যায়।
তবে পেঁয়াজের দাম আসলে কেনো অস্বাভাবিকভাবে বাড়ছে সেটা খুঁজে বের করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
দুর্নীতিমুক্ত দেশ গঠনের অঙ্গীকার ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘অসৎ পথে বিরিয়ানি খাওয়ার চেয়ে সৎ পথে নুন ভাত খাওয়াও ভালো।’
শনিবার (১৬ নভেম্বর) রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সম্মেলনের বক্তব্যে একথা বলেন তিনি। পেঁয়াজের অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধির কারণ সরকার খতিয়ে দেখছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘জাতির পিতাকে হত্যা করার পর আমরা দেশে ফিরতে পারিনি। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ তাদের ভালোবাসা দিয়ে আমাকে আওয়ামী লীগের সভাপতি করেছেন। সেই থেকে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করছি।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জাতির পিতার স্বপ্ন ছিল ক্ষুদা ও দারিদ্র মুক্ত বাংলাদেশ গঠন করার। আমরা সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছি। তবে এর মধ্যে বারবার বাধা এসেছে। নব্বই দশকে পাঁচ বছর আর দুই হাজারের পর সাত বছর কাজ করতেক পারি না। সে সময় দেশে জঙ্গিবাদ মাথা চড়া দিয়ে উঠেছিল। সন্ত্রাস ছিল প্রতিদিনকার ঘটনা। আমরা ২০০৯ সালে সরকার গঠন করে আবারও জনগনের জন্য কাজ করছি।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের দারিদ্রের হার কমিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। আওয়ামী লীগ সব সময় জনগনের জন্য কাজ করে। আর সে জন্যই এটা সম্ভব হয়েছে। এখন মাথা পিছু আয় ২ হাজার ডলারের কাছাকাছি। বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের অবস্থানে এসেছে।’
প্রধানমন্ত্রী এ সময় তার সরকারের সফলতা তুলে ধরেন। আগামীতে সরকারের বিভিন্ন কর্মপ্রণালীর বিষয় উল্লেখ করেন তিনি।
এর আগে শনিবার সকাল থেকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সম্মেলনস্থলে আসতে শুরু করেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। ব্যানার, ফেস্টুন, প্ল্যাকার্ড হাতে স্লোগান দিয়ে মিছিল নিয়ে তাদের আসতে দেখা যায়।
এদিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আগমনকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রথম অধিবেশনে উদ্বোধনী পর্ব শেষে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে দ্বিতীয় অধিবেশনে নেতৃত্ব নির্বাচন করা হবে।
এবারের সম্মেলনে ১৯৭৫ জন কাউন্সিলর এবং প্রায় ১৮ হাজার ডেলিগেট উপস্থিত থাকবেন। এছাড়াও অতিথি থাকবেন প্রায় ১৫ হাজার। সম্মেলন সফল করার লক্ষ্যে ১৩টি উপ কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এএস





