বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি এ কে এম শহিদুল হক বলেছেন, ‘আন্দোলনের নামে বোমা মেরে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি ১৭ জন পুলিশকে হত্যা করা হয়েছে। কমিউনিটি পুলিশিংয়ের মাধ্যমে প্রতিরোধ গড়ে তুললে এ ধরনের ঘটনা আর ঘটবে না। এছাড়া মাদক, নারী নির্যাতন, ইভটিজিং ও শিশু নির্যাতনসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে কমিউনিটি পুলিশিংয়ের মাধ্যমে জনসচেতনতা তৈরি করে সহজেই এগুলো বন্ধ করা সম্ভব। কেননা বোমা মেরে সরকার পরিবর্তন করা যায় না।’

শনিবার সন্ধ্যায় মাগুরার শ্রীপুর উপজেলা ডিগ্রী কলেজ মাঠে কমিউনিটি পুলিশিং সমাবেশ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন শহিদুল হক। অনুষ্ঠানে মাগুরার পুলিশ সুপার (এসপি) জিহাদুল কবিরের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি এস এম মনির উজ জামান, পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. দিদার আহম্মদ ও খন্দকার রফিকুল ইসলাম, মাগুরা জেলা প্রশাসক মাহবুবর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তানজেল হোসেন খান, জেলা কমিউনিটি পুলিশিংয়ের আহ্বায়ক আব্দুল ফাত্তাহ প্রমুখ। 

শহিদুল হক আরো বলেন, ‘পুলিশ একটি আইন প্রয়োগকারী সংস্থা। এটি একটি অথরিটি। এর সঙ্গে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ থাকলে অপরাধ করে কেউ পার পাবে না। জনগণ ও পুলিশের মধ্যে সেতু বন্ধন তৈরি ও দূরত্ব কমাতে কমিউনিটি পুলিশিং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশ পুলিশ সোনার বাংলা গড়তে সকলের সহযোগিতা কামনা করে।’

আলোচনা সভা শেষে মমতাজ বেগমসহ বিশিষ্ট শিল্পীরা সঙ্গীত পরিবেশন করেন।

জেআই