রাজধানী পৃথক ঘটনায় কুলসুম (১৮) ও বজলু শিকদার (৫৫) নামে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।

কুলসুম খিলগাঁও তালতলায় রিয়াজবাগ এলাকার বাসিন্দা। ওই এলাকাতেই একটি অ্যাম্ব্রয়ডারি অফিসে তিনি কাজ করতেন।

কুলসুমের বাবা আমিরুল ইসলাম জানান, বৃহস্পতিবার (১০ মার্চ) মেয়ের অফিস থেকে তাকে জরুরি তলব করা হয়। খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে তিনি মেয়ের ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান। দ্রুত কুলসুমকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যান তিনি। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক বিকাল ৩টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

আমিরুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, আজ আমার মেয়ে অফিসে যায়নি। কিন্তু সকাল থেকেই তাকে সেখানে যাওয়ার জন্য চাপাচাপি করছিল তার অফিসের লোকজন। সকাল ১১টার দিকে বাসায় ফিরে দেখি, কুলসুম বাসায় নেই। এর কিছু পরই তার অফিস থেকে জরুরি তলব করা হয় আমাকে। সেখানে গিয়ে একটি বদ্ধঘরে মেয়েকে গলায় ফাঁস নিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখি। আমার মেয়ে আত্মহত্যা করেনি। তাকে হত্যা করা হয়েছে।

এদিকে, রামপুরার বনশ্রী এলাকায় ২ নম্বর রোডের একটি ছয়তলা ভবনের নিরাপত্তা কর্মী হিসাবে কাজ করতেন বজলু শিকদার। বৃহস্পতিবার ওই ভবনের নিচতলার পানির ফোয়ারায় বৈদ্যুতিক বাল্বের সংযোগ মেরামতের সময় তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন।

প্রতিবেশী দোকানদার হিরণ চৌধুরী গুরুতর অবস্থায় বজলু শিকদারকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে গেলে বিকাল ৩টার সময় তাকেও মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।

ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের নায়েক রফিকুল ইসলাম জানান, কুলসুম ও বজলু শিকদারের মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে।

রামপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, দু’টি ঘটনাই‌ জানতে পেরেছি আমরা। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

এআইজে