চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে সোমবার সকাল ৯টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত ৪০ কিলোমিটার দীর্ঘ মানবপ্রাচীর তৈরি করা হয়।‌'শোকের শক্তিতে রুখো সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ' স্লোগানে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন, কাউন্সিলর, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সিটি করপোরেশন পরিচালিত ৯০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী অংশ নেন।

নগরের শাহ আমানত সেতুর বশিরুজ্জামান চত্বর থেকে বহদ্দারহাট, মুরাদুপুর, সিডিএ অ্যাভিনিউ, শেখ মুজিব রোড, পতেঙ্গা পর্যন্ত মানবপ্রাচীর কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া দেওয়ানহাট থেকে অলংকার, ষোলশহর দুই নম্বর গেট থেকে অক্সিজেন, বহদ্দারহাট থেকে কাপ্তাই রাস্তার মাথা পর্যন্ত এলাকায় এই কর্মসূচি পালন করেন তারা।

মানবপ্রাচীর কর্মসূচিতে মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, ‘সিটি করপোরেশনের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এই ধরনের কর্মসূচি পালন করা হল। নতুন প্রজন্মের মধ্যে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ছড়িয়ে দিতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকে নিষ্ঠুরভাবে হত্যাকাণ্ডের এই দিনে শোককে শক্তিতে পরিণত করে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জঙ্গিবাদমুক্ত দেশ গড়ে তোলা হবে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে দীর্ঘ নয় মাস সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে দেশ স্বাধীন হয়েছে। কুলাঙ্গার স্বাধীনতা বিরোধী ও তাদের আশ্রয়দাতাদের বাদ দিয়ে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাঙালি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ থেকে সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদকেও নির্মূল করা হবে।’

এর আগে সকালে নগর ভবন চত্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। দুপুরে নগর ভবনের কে বি আবদুচ ছাত্তার মিলনায়তনে খতমে কোরআন, মিলাদ মাহফিল ও বিশেষ মোনাজাত হয়। মোনাজাত শেষে এতিমদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়।

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এসব অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী ও জোবাইরা নার্গিস খান, কাউন্সিলর নাজমুল হক ডিউক, ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল হোসেন, প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা নাজিয়া শিরিন, প্রধান প্রকৌশলী লেফটেন্যান্ট কর্নেল মহিউদ্দিন আহমেদ, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মোহাম্মদ মঞ্জুরুল ইসলাম, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সনজিদা শরমিন।

এসএ/টাইম