প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী বলেছেন, মত প্রকাশের স্বাধীনতার নামে ব্লগারদের উন্মাদনা সৃষ্টি গ্রহণযোগ্য নয়। আবার ধর্মের নামে তাদের হত্যা করাও যাবে না।
শনিবার বিকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে টিসিবি মিলনায়তনে বিবিসি সংলাপ অনুষ্ঠানে তিনি এ প্রতিক্রিয়া জানান।
অনুষ্ঠানটির ১২৪তম পর্বে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ছাড়াও প্যানেল সদস্য ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধতত্ত্ব বিভাগের প্রধান জিয়া রহমান এবং খান ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক রোকসানা খন্দকার।
অলিউর রহমান মিরাজের প্রযোজনায় বিবিসি বাংলাদেশ সংলাপ উপস্থাপনা করেন আকবর হোসেন।
ইকবাল সোবহান চৌধুরী বলেছেন, “ব্লাগারদের হত্যার বিষয়ে শুধু রাষ্ট্রীয়ভাবে নয় সামাজিকভাবেও সচেতন হওয়ার প্রয়োজন আছে।তবে একজন ব্লগার স্বাধীনভাবে কতটুকু পর্য ন্ত মতপ্রকাশ করতে পারবেন সেটি ভেবে দেখতে হবে। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সবারই আছে। কিন্তু সংবিধানে এও আছে মতপ্রকাশের নামে কোনো ধর্মীয় উত্তেজনা সৃষ্টি করা যাবে না। পাশাপাশি ইসলামকে রক্ষার জন্য তাদের দায়িত্ব দেয়া হয়নি। এটা ইসলামের কোনো অনুশাসন নয়। ধর্মের নামের যারা এ ধরনের হত্যাকাণ্ড করে তারা ধর্মান্ধ।”
ইকবাল সোবহান চৌধুরী বলেন, “শুধু সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোক নয়, কোনো ব্যক্তিরই সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করার বিধান আইনে নেই। তারপরও যদি কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ আসে আশা করি প্রধানমন্ত্রী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন।” এছাড়া সড়ক দুর্ঘটনা রোধে হাইওয়ে ছোট যান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা ঠিক আছে বলেও মত দেন তিনি।
অন্যদিকে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, “আইনশৃংখলা বাহিনীকে দেশের মানুষের নিরাপত্তার কাজে না লাগিয়ে ভিন্নভাবে ব্যবহার করার ফলেই এ ধরনের হত্যা বাড়ছে।” আইনের শাসনের অভাবে এমনটি ঘটছে বলে মনে করেন তিনি।
তিনি বলেন, “বিদেশী কোনো ভিআইপি আসলে তখন জঙ্গি ধরার নাটক মঞ্চস্থ করে তাদের দেখানো হয়। অথচ নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের কোনো মাথাব্যথা নেই।” আজ আইনের শাসনের অভাবেই এ ধরনের ঘটনা ঘটছে বলেও মনের করেন বিএনপির এই নেতা।
এএইচ





