বরগুনার বেতাগীতে শ্রেণীকক্ষে স্কুল শিক্ষিকাকে গণধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি সুমন বিশ্বাসকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গত বুধবার রাত দুটার দিকে সুমনের শ্বশুর বাড়ি লক্ষ্মীপুরের রামগতি থেকে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় বেতাগী থানা পুলিশের বিশেষ টিম।
সে বেতাগী উপজেলার হোসনাবাদ ইউনিয়নের মৃত হিরন বিশ্বাসের ছেলে। গতকাল শুক্রবার বিকালে বরগুনার পুলিশ সুপার বিজয় বসাক এক প্রেস ব্রিফিংয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এই গ্রেফতারের খবর জানান।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গ্রেফতারের কথা গোপন রেখে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বৃহস্পতিবার রাতে কৌশলে ধর্ষণের শিকার স্কুল শিক্ষকের মুঠোফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
উপজেলার হোসনাবাদ ইউনিয়নের কদমতলা গ্রামের আবদুল জলিলের ছেলে রেজাউলের কাছ থেকে মোবাইলটি উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় ইতোমধ্যে গ্রেফতারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে সাত। এর মধ্যে মূল আসামি তিনজন। এরা হলো - প্রধান আসামি সুমন বিশ্বাস, হাসান রবিউল, জুয়েল কাজি। এছাড়া দুজনের অভিভাবক ও মোবাইল উদ্ধারের সময় আরো দুজনকে আটক করা হয়।
মূল আসামিদের মধ্যে এখন পর্যন্ত পালিয়ে আছে আবদুল হাকিমের ছেলে মো. রাসেল, মো. দুলালের ছেলে মো. রেজাউল ও কুদ্দুস কাজির ছেলে মো. সুমন কাজি।
ইতোমধ্যে রাসেলের বাবা আবদুল হাকিম ও সুমন কাজির বাবা কুদ্দুস কাজিকেও জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। হাসান রবিউলকে তার বাবা মো. সুলতান নিজেই গ্রেফতার করিয়েছেন বলে জানা গেছে। ঘটনার দিন ওই স্কুল শিক্ষিকা মোবাইলে কথা বলার চেষ্টা করলে তার হাত থেকে মোবাইল সেটটি ছিনিয়ে নেয় হামলাকারীরা।
এদিকে কেন্দ্রীয় প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি ঘোষিত সারাদেশে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভায় শিক্ষক নেতারা ২৮ আগস্টের মধ্যে সকল আসামিদের গ্রেফতার ও দ্রুত বিচারের দাবি জানিয়েছেন।
জেড





