রাজধানীতে ফিরতে শুরু করেছে ঈদের ছুটিতে যাওয়া মানুষ। সড়ক, রেল ও নৌপথে রাজধানীর প্রবেশপথগুলোতে ঘরে ফেরা যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে।
শনিবার গাবতলী, কল্যাণপুর ও শ্যামলী বাসস্ট্যান্ড ঘুরে দেখা গেছে কর্মস্থলে ফেরা মানুষের ভিড়। বিকাল থেকে সেই ভিড় আরো বাড়তে শুরু করেছে।তবে ফিরতি পথে ভোগান্তি কম হয়েছে বলে জানিয়েছেন অনেকে।
ময়মনসিংহের ভালুকা থেকে মহাখালীতে আসা মিরপুরের বাসিন্দা মারজিয়া খাতুন জানান, কোনো রকম জ্যাম ছাড়াই মাত্র দুই ঘণ্টায় মহাখালীতে এসেছি। বাড়ির সবাইকে নিয়ে ঈদ উদযাপনের পর কোনো ঝামেলা ছাড়াই ঢাকায় পৌঁছাতে পেরে অনেকটা ভালোই লাগছে।
কমলাপুর ও বিমানবন্দর রেল স্টেশনে দেখা গেছে, প্রতিটি ট্রেনেই স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি ভিড়। ভোর থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত ১৮টি ট্রেন কমলাপুরে পৌঁছেছে। স্টেশন ম্যানেজার সিতাংশু চক্রবর্তী জানান, ঢাকায় আসা সব ট্রেনে যাত্রীর সংখ্যা বেশি ছিল। আর যে ট্রেনগুলো কমলাপুর থেকে ছেড়ে গেছে সেগুলোয় যাত্রী অনেক কম।
রংপুর থেকে ঢাকায় ফিরেছেন বেসরকারী চাকুরিজীবী নজরুল ইসলাম। তিনি বলেন, ট্রেনে ভিড় ছিল মোটামুটি। এছাড়া তেমন কোন ভোগান্তি পোহাতে হয়নি।
রাজশাহী থেকে কমলাপুর পৌঁছেছেন আব্দুল হালিম। তিনি বলেন, এবার ট্রেন ঠিক সময়ে ছেড়েছে এবং ভোগান্তি ছাড়া ঢাকায় এসেছি।কিন্তু সব ট্রেনেই রাজধানীতে ফিরা মানুষের ভিড় ছিলো।
অপরদিকে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলগামী বাসের টার্মিনাল সায়েদাবাদে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সিলেট ও চট্টগ্রাম মহাসড়কে তেমন কোনো যানজট নেই। তাই মানুষ অল্প সময়েই রাজধানীতে ফিরতে পারছে।
এছাড়া দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম রুট সদরঘাট নৌ বন্দরে ঘুরে জানা গেছে, গতরাত ২টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত ঢাকা ফেরত যাত্রীদের মোটামুটি চাপ ছিল। কিন্তু বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সে চাপ অনেকটাই কমে এসেছে।
সদরঘাটে দায়িত্বরত বিআইডব্লিউটিএ`র ট্রাফিক ইন্সপেক্টর হেদায়াত উল্লাহ বলেন, গতরাত ২টার পর থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের ৪১টি রুট থেকে ৯৪টি ছোট বড় লঞ্চ এসেছে। সব লঞ্চেই যাত্রীর চাপ ছিল।
এম এ





