কয়েকদিনের টানা গরমের পর এক পশলা বৃষ্টিতে স্বস্তি নেমে এসেছে নগরজীবনে। তবে গরম থেকে বাঁচলেও কাক ভেজা ভিজতে হয়েছে অফিসগামী অনেক যাত্রীকে। এরই সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ব্যস্ত শহরের যানজট আর জলাবদ্ধতার ভোগান্তি।

শনিবার সকাল থেকেই আবহাওয়া ছিল গুমোট। সকাল সাড়ে ৭টার পর বৃষ্টি নামে। বৃষ্টির সঙ্গে দমকা হাওয়া।সোয়া ৮টা থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টিতে চারিদিকে অন্ধকার হয়ে আসে। সড়কে গাড়িগুলো হেডলাইট জ্বালিয়ে চলতে দেখা যায়।

বৃষ্টির স্থায়িত্বকাল কম হলেও এই অল্প সময়ের বৃষ্টিতে নগরীতে অন্য রকম শান্তি আর স্বস্তি নেমে আসে। তবে অল্প সময়ের প্রবল বৃষ্টিতে রাজধানীতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় বিপাকে পড়েন কর্মজীবী লোকজন।

রাজধানীর মালিবাগ, মৌচাক, তেজগাঁওয়ের বিভিন্ন রাস্তায় পানি জমে। এ ছাড়া, সড়কগুলোর লাগোয়া ভেতরের এলাকা ও অলিগলিগুলোতে পানির জমতে দেখা গেছে। মগবাজার ফ্লাইওভারের কাজ চলায় বৃষ্টিতে ওই সড়কের বেহাল দশা। কাদা, পানি আর খানাখন্দে সব মিলিয়ে সৃষ্টি হয় তীব্র যানজট।

এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে বলা হয়েছে,পূর্বমধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপের সৃষ্টি হয়েছে। নিম্নচাপটি মহারাষ্ট্র এর তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে।

মৌসুমী বায়ুর বর্ধিতাংশের অক্ষ গুজরাট, মধ্যপ্রদেশ, নিম্নচাপের কেন্দ্রস্থল, উড়িষ্যা হয়ে গাঙ্গেয় পশ্চিম বঙ্গ ও বাংলাদেশের দক্ষিণাংশ হয়ে উত্তরপূর্ব দিকে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত।

মৌসুমী বায়ুবাংলাদেশের দক্ষিণাংশে মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তরাংশে কম সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারী অবস্থায় বিরাজ করছে।’

শনিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম এবং সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারী ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

সেই সাথে খুলনা, বরিশাল চট্টগ্রাম, ঢাকা ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারী ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে। আগামী দুইদিন এই বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বৃদ্ধি পেতে পারে।

এআর