বৃষ্টির পানির সাথে আসপাশের এলাকার বর্জ্য মিশে ড্রেনের পানির মতো কালো হয়ে গেছে হাতিরঝিলের পানি। সঙ্গে যোগ হয়েছে দুর্গন্ধ। এতে সেখানকার পরিবেশ এখন বিপর্যয়ের মুখে। হাতিরঝিলে বেড়াতে আসা দর্শনার্থীরা পড়ছেন ভোগান্তিতে। দুর্গন্ধে অনেক সময় ওয়াকওয়েতে হাঁটাও মুশকিল হয়ে পড়েছে।
রাজধানীর কারওয়ান বাজার, তেজগাঁও, ইস্কাটন, রামপুরা, গুলশান, মগবাজারসহ আশপাশের ১১টি বড় পয়েন্ট এবং অসংখ্য কারখানার বর্জ্য এসে পড়ছে হাতিলঝিলে। বর্ষা মৌসুমেও পানির রঙ কালো হয়ে উঠেছে।
হাতিরঝিল প্রকল্পের একটি বড় উদ্দেশ্য রাজধানীতে বৃষ্টির পানির ব্যবস্থাপনা এবং পয়ঃনিষ্কাশনের মাধ্যমে রাজধানীর একটি বড় অংশের জলাবদ্ধতা দূর করায় সহযোগিতা করা। পাশপাশি শহরের নাগরিকদের জন্য একটি বিনোদনকেন্দ্র হিসেবে এই এলাকাটি গড়ে তোলা। কিন্তু এবার বর্ষা মৌসুমে পুরো উল্টো চিত্রই দেখা যাচ্ছে।
পানি পচে অতিরিক্ত দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ার কারণে ওয়াটার ট্যাক্সির যাত্রীসংখ্যাও।কমেছে।
প্রকল্প বাস্তবায়নকারী কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, বছরের অন্য সময়ে আশপাশের এলাকার সুয়ারেজের পানি পাইপের মাধ্যমে নিষ্কাষণ করা সম্ভব হলেও বর্ষায় পানির চাপ বাড়ায় সে সক্ষমতা থাকছে না। ফলে বিভিন্ন এলাকার আবর্জনা হাতিরঝিলে এসে পড়ছে।
হাতিরঝিলে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা শোধনাগার নির্মাণের কথা থাকলেও তা এখনও বাস্তবায়ন করা হয়নি। তাই ভবিষ্যতে পরিবেশ দূষণ আরো বাড়বে বলেও আশঙ্কা করছেন তারা
নগর পরিকল্পনাবিদেরা বলছেন, মাত্রাতিরিক্ত বর্জ্য ও আবর্জনার কারণে হাতিরঝিলের পানিতে অক্সিজেনের পরিমাণ খুবই কমে গেছে। যা ভয়াভহ ক্ষতির কারণ হতে পারে বলে আশঙ্কা তাদের।
ইমন





