বিশেষ বিবেচনায় ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের পর এবার আওয়ামী লীগ ও বিএনপিকে সমাবেশ করার অনুমতি দিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। ডিসিসি ও ডিএমপি একই শর্তে দুই দলকে নিজ নিজ দলীয় কার্যালয়ের সামনে সভা করার অনুমতি দিয়েছে।
সোমবার বিকেলে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া এ অনুমতি প্রদানের কথা জানান।
কমিশনার বলেন,শর্তসাপেক্ষে বিএনপি ও আওয়ামী লীগকে দলীয় কার্যালয়ের সামনে সভা করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, ‘উভয় দলকেই তাদের কার্যালয়ের অভ্যন্তরে এবং সামনে কতিপয় শর্তসাপেক্ষে কাল দুপুর ২টা থেকে সমাবেশ করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এখানে গুরুত্বপূর্ণ শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে, মিছিল করে সমাবেশে আসা যাবে না, ফেস্টুন-ব্যানারের আড়ালে লাঠি বা প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার করা যাবে না, রাস্তা অবরোধ করে যানজট সৃষ্টি করা যাবে না। আমরা যে চৌহদ্দি বলে দেব তার মধ্যে সমাবেশকে সীমাবদ্ধ থাকতে হবে। মাগরিবের নামাজের আগেই এ সমাবেশ শেষ করতে হবে।’
এর আগে দুপুরে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন সমাবেশের অনুমতি দেন।
তিনি বলেন, শান্তিপূর্ণ মত প্রকাশের জন্য ‘বিশেষ বিবেচনায়’ নিজ নিজ দলীয় কার্যালয়ের সামনে কাল মঙ্গলবার দল দুটি সমাবেশ করতে পারবে।
তবে তিনি জানান সমাবেশে মাইক ব্যাবহারের অনুমতি পুলিশকে থেকে নিতে হবে। পুলিশের কাছে এবিষয়ে জানতে চাইলে ডিএমপির গণমাধ্যম শাখার উপকমিশনার মারুফ হোসেন সরদার জানান, ডিসি মতিঝিল ও ওসি পল্টনের মতামত পাওয়ার পর এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
তারপর বিকেলে সাংবাদ সম্মেলনে ডিএমপি কমিশনার সমাবেশের অনুমতি দেন। তাই দুই দলের সমাবেশে আর কোন বাধা থাকলোনা।
এর আগে ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় নির্বাচনের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে প্রধান দুই দলই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশের অনুমতি চেয়ে আবেদন করে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ ও সাবেক বিরোধী দল বিএনপি। এ নিয়ে রাজনীতিতে উত্তাপের সৃষ্টি হয়।
গত বছর এই দিনে দেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি ঘিরে ব্যাপক সহিংসতা হয় ও বহু প্রাণহানি ঘটে। এক বছরের মাথায় শনিবার আবারও দুই দল একই দিনে সমাবেশের ঘোষণা দেয়।
এআই





