অবরোধ-হরতালের পক্ষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে ২০ দলীয় জোট নেতা-কর্মীরা। এসময় আওয়ামী লীগের সাথে তাদের সংঘর্ষ হয়। এতে দুই জামায়াত কর্মী গুলিবিদ্ধসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে।
নোয়াখালীর সেনবাগে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত সেনবাগ বাজারের বিভিন্ন স্থানে দফায় দফায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
গুলিবিদ্ধরা হলেন, পৌর জামায়াতের সেক্রেটারী আনোয়ারুল আজিম সোহেল ও জামায়াত কর্মী আব্দুল ওহাব। আহতরা হচ্ছেন- পৌর বিএনপির সভাপতি জাহিদুল হক সবুজসহ আরো ৭ জন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে পৌর বিএনপির সভাপতি জাহিদুল হক সবুজের নেতৃত্বে সেনবাগ বাজারের দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে অবরোধ-হরতালের পক্ষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে বিএনপি।
মিছিলটি সেনবাগ মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এলে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা তাদের ধাওয়া করে। এ অবস্থায় মিছিলটি বিএনপির কার্যালয়ের সামনে গিয়ে ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। এ সময় পৌর বিএনপির সভাপতি জাহিদুল হক সবুজকে পিটিয়ে গুরুত্বর জখম করা হয়।
অন্যদিকে, সেনবাগ পূর্ববাজার থেকে ২০ দলীয় জোট কর্মীরা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে। একই সময় বিপরীত দিক থেকে স্থানীয় আওয়ামী লীগও অবরোধ-বিরোধী একটি মিছিল বের করলে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কয়েক রাউন্ড শটগানের গুলি ছোঁড়ে পুলিশ। এতে ২ জন গুলিবিদ্ধসহ ১০ জন আহত হয়। পরে ২০ দলের নেতা-কর্মীরা বাজারে ৩/৪টি সিএনজি অটোরিকশা ভাঙচুর করে।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাফর আহমেদ চৌধুরী জানান, আওয়ামী লীগ অবরোধ-বিরোধী মিছিল বের করলে তা ২০ দলের মিছিলের মুখোমুখি হয়। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। তবে বিএনপি নেতা সবুজের ওপর হামলার বিষয়টি ‘জানেন না’ বলে জানান তিনি।
নোয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি) মো. ইলিয়াছ শরীফ জানান, ২০ দলের নেতা-কর্মীরা মিছিল বের করে নাশকতার চেষ্টা করলে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১০/১২ রাউন্ড শটগানের গুলি ছুঁড়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করে। বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
এমকে





