কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী সোমবার মওলানা ভাসানীর মাজারে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করেছেন। এসময় তিনি ভাসানীর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে মুনাজাত করেন।

পরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মওলানা ভাসানীর মৃত্যুবার্ষিকী মানে একটি দেশের স্রষ্টার মৃত্যুবার্ষিকী। অর্জিনালি মওলানা ভাসানী যদি এই বঙ্গের সাথে স¤পৃক্ত না থাকতেন  তাহলে ৭১ সালেও স্বাধীনতা আসত না। আর ১০ বছর পিছিয়ে গেলে আদৌ বাংলাদেশ স্বাধীন করতে পারতাম কিনা সন্দেহ আছে। আমি পুরোপুরিভাবে বিশ্বাস করি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হচ্ছে বাংলাদেশের জনক আর বঙ্গবন্ধুসহ আমাদের জনক হচ্ছে মওলানা ভাসানী।

সোমবার মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর ৩৮তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে টাঙ্গাইলের সন্তোষে মানুষের ঢল নামে। ফুলে ফুলে ভরে উঠে ভাসানী মাজার প্রাঙ্গন। দুদিন আগে থেকেই ভাসানীর ভক্ত-মুরিদানরা সন্তোসে আসতে শুরু করেন। ভক্ত-অনুরাগীদের মিলন মেলায় পরিণত হয় গোটা সন্তোষ।

এ উপলক্ষে বিভিন্ন সংগঠন পৃথকভাবে নানা কর্মসূচির আয়োজন করে। কর্মসূচির মধ্যে কুরআনখানী, দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা ছিল উল্লেখযোগ্য। তবে বরাবরের মত এবারো ভাসানীর মাজারে আওয়ামী লীগের কোন কেন্দ্রীয় নেতাকে দেখা যায়নি।

ভাসানীর মাজার সংলগ্ন মাঠে আলোচনা সভা করে জেলা বিএনপি। সেখানে দলের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা বক্তব্য রাখেন। ভাসানীর দরবার হলে আলোচনা সভা করে জাগপা। দলের সভাপতি শফিউল আলম প্রধান সেখানে প্রধান অতিথির ভাষণ দেন।

এর আগে তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে ভাসানীর মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে আলোচনা সভার আয়োজন করে এনডিএফ। এতে ন্যাপ ভাসানীর চেয়ারম্যান শেখ আনোয়ারুল হকের সভাপতিত্ব প্রধান অতিথি ছিলেন এনডিএফ-এর চেয়ারম্যান শেখ শওকত হোসেন নিলু। প্রধান আলোচক ছিলেন ন্যাপ ভাসানীর মহাসচিব হাসরত খান ভাসানী।

জেআই