মৌলভীবাজারের হাকালুকি হাওরে এবার জেলেদের জালে অনেক ইলিশ ধরা পড়ছে। স্থানীয় হাটবাজারে তা বিক্রিও হচ্ছে।
মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, স্বাদ-গন্ধে কিছুটা ভিন্ন হলেও এ মাছ ইলিশ। সিলেট অঞ্চলে সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে বিভিন্ন নদ-নদী দিয়ে সেগুলো হাওরে ঢুকে পড়েছে।
মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গত মে মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে সিলেট অঞ্চলে অতিবৃষ্টি হচ্ছে। এর ফলে উজান থেকে পাহাড়ি ঢল নামায় বিভিন্ন নদ-নদী ও হাওর পানিতে ভরে গেছে। এ সময় ইলিশ বিভিন্ন নদ-নদী হয়ে হাকালুকি হাওরে ঢুকে পড়েছে। হাকালুকি হাওর মৌলভীবাজারের কুলাউড়া, জুড়ী ও বড়লেখা এবং সিলেটের গোলাপগঞ্জ ও ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিস্তৃত।
সম্প্রতি জুড়ী, কুলাউড়া ও বড়লেখা উপজেলার কয়েকটি হাটবাজার ঘুরে দেখা গেছে, অন্যান্য জাতের মাছের পাশাপাশি ইলিশও বিক্রি হচ্ছে। ওজনে সেগুলো ৫০০ থেকে ৯০০ গ্রাম।
বড়লেখার হাকালুকিপাড়ের কাননগড় বাজারে তরতাজা বিভিন্ন জাতের মাছ বেচাকেনা হয়। সেখানে বড় থালায় মেলে রেখে ইলিশ বিক্রি করছিলেন চার-পাঁচজন জেলে। সেখানে ভিড় জমান কয়েকজন ক্রেতা। বিক্রেতারা প্রতি কেজি ইলিশের দাম হাঁকেন এক হাজার টাকা।
এক মাছ বিক্রেতা বলেন, তাঁরা প্রতিদিন রাতে হাওরের ভাসান পানিতে বেড় জাল টেনে মাছ ধরেন। একেক টানে সাত-আটটি ইলিশ পাওয়া যায়।
এফএফ





