শাহবাগে ট্রাফিক সিগন্যাল টাইমিং কাউন্টডাউন সিস্টেম পর্যবেক্ষণ করেছে পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ ও ঢাকা সিটি কর্পোরেশন। ট্রাফিকের সাংকেতিক বাতিগুলো কেমন কাজ করছে তা পর্যবেক্ষণ করা হয়।

ট্রাফিকের উপ কমিশনার(দক্ষিণ) খান মোহাম্মদ রেজোয়ান উপস্থিত থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা থেকে শুরু করে দুই ঘন্টাব্যাপী ট্রাফিক সিগন্যাল টাইমিং কাউন্টডাউন সিস্টেম পর্যবেক্ষণ করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের সহকারী প্রকৌশলী তৌহিদ ইবনে আকরাম।

বিশ্বব্যাংকের প্রায় ১৫ কোটি টাকা অর্থায়নে ‘ক্লিন এন্ড সাসটেইনেবল ইনভায়রনমেন্ট’নামের একটি প্রকল্পের আওতায় ঢাকার ৬৫টি পয়েন্টে ডিজিটাল ‘সময় বাতি’মেনে এখন থেকে যানচলাচল নিয়ন্ত্রণ করবে পুলিশ।

ট্রাফিকের উপ কমিশনার(দক্ষিণ) খান মোহাম্মদ রেজোয়ান জানান, “ঢাকা সিটি কর্পোরেশন এ বাতিগুলোর কাজ তদারকি করবেন। পুলিশ বাতির সংকেত মেনে যানচলাচল নিয়ন্ত্রণ করবেন।”

২০১৩ সাল থেকে এ প্রকল্পটি কাজ শুরু করেছে। আগামী দুই বছর তারা এ বাতিগুলোর নিয়ন্ত্রণ পুরো ঢাকা শহরে নিশ্চিত করবে।

বিভিন্ন এলাকার যান চলাচলের পরিমান, কখন কোন সময়ে কত যান চলে ইত্যাদির গবেষণা চালিয়ে এ ডিজিটাল সময় বাতিগুলো তৈরি করা হয়েছে। তবে প্রয়োজন অনুযায়ি সেগুলো সংস্কারের সুযোগও আছে।

ঘটনাস্থল ঘূরে দেখা গেছে, বিকালের পর মিন্টো রোড এলাকায় অন্যান্য দিনের চেয়ে যানজট বেশি। তবে মৎস্যভবনগামী সড়ক, জাদুঘর সংলগ্ন সড়কে যানজট অন্যান্য দিনের চেয়ে কম। সেখানে দীর্ঘ যানজটে কোন গাড়িকে পড়তে হয়নি।

প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে সংকেত বাতিগুলো যানজট নিরসনে যথেষ্ট কাজ করবে। তবে তারপরও কোথাও কোন সমস্যা হলে তার সংস্কারের ব্যবস্থাও থাকবে।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের সহকারী প্রকৌশলী তৌহিদ ইবনে আকরাম জানান, “পুরো ঢাকায় ৭০টি ডিজিটাল টাইমিং বাতি লাগানোর কথা থাকলেও ৬৫ টা এলাকায় তা লাগানো হয়েছে। বাকি ৫ জায়গায় ফ্লাইওভার তৈরি হয়েছে।”

প্রয়োজন হলে আরো ৩০টি নতুন অঞ্চলে বাতি লাগানোর পরিকল্পনাও রয়েছে বলেও জানান তিনি।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “সড়কে ভিআইপি চলাচল করার সময় বাতিগুলো বন্ধ হয়ে যাবে। তারা সড়ক থেকে চলে গেলে আবারো বাতি কাজ করা শুরু করবে।”

ঢাকাকে যানজট মুক্ত রাখতে এ সাংকেতিক বাতিগুলো সংকেত মেনে চলতে নাগরিকদের অনুরোধও করেন তিনি।

জেইউ/এসএইচ