সিলেটের বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে নির্যাতনে রায়হান আহমদের মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশের এক সহকারী উপ-পরিদর্শককে গ্রেফতার করা হয়েছে।
আজ (২৯ অক্টোবর) বৃহস্পতিবার ভোরে সিলেট পুলিশ লাইন্স থেকে এই এএসআই’কে গ্রেফতার করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই’র পরিদর্শক মাহিদুল ইসলাম এই তথ্য জানিয়েছেন। এনিয়ে এই মামলায় তিনজনকে গ্রেফতার দেখানো হলো।
গ্রেফতার এএসআই আশেক এলাহী বন্দর বাজার পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত ছিলেন। রায়হান হত্যার পর তাকে সেখান থেকে প্রত্যাহার করা হয়।
মাহিদুল ইসলাম জানান, আশেক এলাহীকে আদালতে তুলে রিমান্ড নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি চাওয়া হবে।
এদিকে, গ্রেফতার অপর আসামি কনস্টেবল টিটু চন্দ্র দাসকে দুই দফা ৮দিনের রিমান্ড শেষে গতকাল (২৮ অক্টোবর) বুধবার কারাগারে পাঠানো হয়।
অপর পুলিশ কনস্টেবল হারুন উর রশিদকে গত শনিবার গ্রেফতার করে ৫ দিনের রিমান্ড শেষে আজ (বৃহস্পতিবার) আদালতে তোলা হবে বলে জানান তদন্ত কর্মকর্তা। তবে মামলার প্রধান অভিযুক্ত বন্দরবাজার ফাঁড়ি ইনচার্জ আকবর হোসেন ভুইয়া এখনো পলাতক রয়েছেন।
রায়হান হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বন্দর বাজার ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আকবর, হাসান উদ্দিনসহ ৫ জনকে সাময়িক বরখাস্ত এবং তিনজনকে প্রত্যাহার করা হয়।
উল্লেখ্য, গত ১১ অক্টোবর ভোরে বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে পুলিশের নির্যাতনের শিকার হন রায়হান আহমদ (৩৪) নামের এক যুবক। পরে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে তিনি মারা যান। রায়হান সিলেট নগরীর আখালিয়ার নেহারিপাড়ার মৃত রফিকুল ইসলামের ছেলে। তিনি নগরীর রিকাবিবাজার স্টেডিয়াম মার্কেটে এক চিকিৎসকের চেম্বারে কাজ করতেন।
এই ঘটনায় ১২ অক্টোবর রাতে অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে হেফাজতে মৃত্যু আইনে সিলেট কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন রায়হানের স্ত্রী।
এমবি





