যশোরের শার্শা উপজেলার গোগা ইউনিয়নে খাদিজাতুল কোবরা মহিলা হাফিজিয়াখানা মাদ্রাসার শিক্ষক আলতাফ হোসেন (৪২) এর বিরুদ্ধে ছাত্রী (১৩) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।গতরাতে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ধর্ষক শিক্ষকের বাড়িঘর ও মাদ্রাসা ভাঙচুর করেছে। এ নিয়ে এলাকায় টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে।
বর্তমানে শিক্ষক আলতাফ পলাতক রযেছে। পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান, অভিযুক্ত শিক্ষক আলতাফ হোসেন উপজেলার আমলা গ্রামের মৃত আব্দুল বারিক ঢালীর ছেলে ও হাফিজিয়াখানা মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা। বিভিন্ন এলাকার মেয়েরা এ মাদ্রাসায় চুক্তিতে দিন-রাত অবস্থান করে কোরআন শিক্ষা গ্রহন করে ।
স্থানীয় গোঁগা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ জানান, আলতাফ হোসেনও তার স্ত্রী নিজ বাড়িতে ছোট-ছোট কিছু ঘর তৈরি করে হাফিজিয়াখানা বানিয়ে সেখানে ছাত্রীদের রেখে কারআন শিক্ষা দিতেন। গত দুই মাস ধরে কৌশলে আলতাফ হোসেন মেয়েটিকে হাফিজিয়াখানার পাশে একটি রান্নাঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে আসছিল।
মংগলবার বিকেলেও মেয়েটিকে ধর্ষন করা হয়, পর মেয়েটি বাধ্য হয়ে ঘটনাটি অন্য ছাত্রীদের জানালে।ঘটনাটি চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনা জানার পর মেয়েটির বাবা ইউনিয়ন পরিষদে এসে বিচার চাইলে ওই শিক্ষককে ডেকে পাঠানো হয়।
কিন্তু এর আগেই তিনি সটকে পড়েন। পরে এলাকাবাসী ও স্বজনেরা গিয়ে ওই শিক্ষকের বাড়িঘর ভাঙচুর করেন।শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। মেয়েটিকে উদ্ধার করে বাঁগআচড়া পুলিশ ফাঁড়িতে হেফাজতে রাখা হয়েছে। তাকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য যশোরে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যপারে মামলা হয়েছে শার্শা থানায়।
এআই





