সিট দখল নিয়ে বিপ্লবী ছাত্রমৈত্রীর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার এক কর্মীকে মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
গতকাল মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের হবিবুর রহমান হলে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা তাকে মারধর করে বলে অভিযোগ ওঠে।
ছাত্রমৈত্রীর কর্মী আহত মুনীর হোসেন বাংলা বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসা কেন্দ্রে নেওয়া হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী ও হল সূত্র জানায়, হবিবুর রহমান হলের ২৫৩ নম্বর কক্ষের আবাসিক শিক্ষার্থী। সে ৩১৩ নম্বর কক্ষের আবাসিক শিক্ষার্থী সারওয়ার হোসেনের সঙ্গে সিট বদল করার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু সারওয়ারের রুমমেট ও ছাত্রলীগ কর্মী মনজেল সেই সিটে অন্য একজনকে তুলতে চাচ্ছিলেন।
সন্ধ্যায় সারওয়ার সিট বদল করে সবুজের কক্ষে চলে আসে। কিন্তু সবুজ যখন তার সংগঠনের কয়েকজনের সহযোগিতায় জিনিসপত্র নিয়ে সারওয়ারের কক্ষে যায়, তখন সারওয়ারের রুমমেট মনজেল কক্ষে তালা লাগিয়ে দেয়। এ সময় মনজেলের সঙ্গে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। পরে ছাত্রলীগের কয়েকজন মিলে মুনীর হোসেনকে ধাওয়া দিয়ে বেধড়ক মারধর করে। এসময় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কৃত ও হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মামুন ও সাধারণ সম্পাদক বায়েজিদ উপস্থিত ছিলেন।
বিপ্লবী ছাত্রমৈত্রীর সভাপতি প্রদীপ মার্ডি বলেন, ‘ওই সিটে ছাত্রলীগের কাউকে উঠানোর জন্য ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা আমাদের ওপর হামলা চালায়।’
হল ছাত্রলীগের সভাপতি মামুন বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, ‘এ ঘটনায় ছাত্রলীগের কেউ জড়িত নেই। ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে।’
বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রাশেদুল ইসলাম রাঞ্জু বলেন, ‘হলে সিট বদল নিয়ে মনজেলের সহযোগী ও সবুজের সহযোগীদের মধ্যে হতাহাতি হয়েছে।’ ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের জড়িত থাকার বিষয়টি তিনি এড়িয়ে যান।
এদিকে হবিবুর রহমান হলের প্রাধ্যক্ষ এক্রাম উল্যাহ এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
এবি





