যশোরের ওসি ডিবি ইমাউল হকের মহানুভবতায় ১২ বছরের সংসার ফিরে পেল এক মাদক সেবীর সংসার। ১২ বছর ধরে সংসার হারা দেলোয়ার নামে এক গাজা সেবনকারীর সংসার আবার জোড়া লাগলো।

যশোর জেলা গোয়েন্দা শাখার ওমি ইমাউল হক যশোরের পুলিশ সুপার আনিসুর রহমানের নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা শাখা পরিচালিত মাদক বিরোধী অভিযান (গুড মর্নিং) এর একটি সার্থকতার দৃষ্টান্ত সৃষ্টি হলো।

জানা গেছে যশোর জেলা গোয়েন্দা শাখা যশোর মাদক বিরোধী অভিযান (গুড মর্নিং) পরিচালনাকালে এস আই সেকেন্দার আবু জাফার দেলোয়ার নামে এক গাজা সেবনকারীর সন্ধান পায়। তদন্ত করে জানা যায়, ১২ বছর হলো সে গাজা সেবন করে। সে জানায় গাজার নেশায় তার শরীরের কোন অঙ্গ কাজ করে না। মুদির দোকানদার হওয়ায় সে কোন হিসাব ঠিক মতো রাখতে পারে না। তার বিবাহিত জীবনের বসয় ১২ বছর বিবাহের আগে দ্বিন বন্ধুদের সঙ্গ দিতে গিয়ে গাজা সেবন করে। প্রথম দিন গাজা সেবন করে বাসর ঘরে প্রবেশ করে।

তার অনুভুতি ছিল পৃথীবিটা সমস্ত ওজন নিয়ে তার বুক ও মাথা চেপে ধরেছিল। নতুন স্ত্রীর অনুরোধে গাজা সেবন বাদ দেওয়ার প্রতিশ্রতি দেয়। কিন্তু তার বন্ধু চক্র অস্যত পরিবেসের কারণে পারিপাসিবতার কারনে যশোর কোন সিমান্তে বন্ধ গাজা এনে পুটলি আকারে সিগারেটের মধ্যে ভরে তাকে সেবন করায়। পরিবারের কাছে একের পর এক মিথ্যা বলার কারনে সে অবিশাস্ত হয়ে ওঠে। তার স্ত্রী আনজুয়ারা চরমভাবে ভুল বুজতে থাকে।

এক সময় তার সতীত্ব প্রশ্ন তলে গাজা টাকা যোগান দেবার জন্য আনজুয়ারা পরিবার থেকে ১২ বছরে লক্ষ্যধীক টাকা দেওয়া হয়। গাজা খেয়ে দেলোয়ার অবৈধ্য কাজে জড়িয়ে পড়ে। পনে আনজুয়ারা ও তার পরিবারের অন্যদেরকে দুরে ঠেলে দেয়। আনজুয়ারাকে সন্দহ করে। তাদের একটা ৭ বছরেরর সন্তান সহ লোকের বাসায় কাজ করে দুর্বিষ্য জীবন যাপান করে।

গাজা সেবনকারী দেলয়ার যশোর জেলা গোয়েন্দা অফিসে এসে হাউমাউ করে কেদে বলেন, আমার সংসার এনে দেন, আমার স্ত্রীকে এনে দেন। আমি নেশা জগত থেকে বেরিয়ে আসব। তার কথা মত গোয়েন্দা পুলিশের টিম তার পরিবার ও স্ত্রীকে ডিবি অফিসে নিয়ে আসে তখন স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে হৃদয়-বিহৃদয় অবস্থা। যশোর জেলা পুলিশ সুপার মহোদয় পক্ষে গোয়েন্দ শাখা মাধ্যমে যাতায়াত ভাড়া সহ একদিনের খাওয়া খরচ প্রদান করা হয়। এসময় দেলয়ালের স্ত্রী কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, আমি সতি, আমি ধর্ম ও সসতা নিয়ে স্বামীর জন্য অপেক্ষা করছিলাম, আজ মনে হলো আমার সেই বিবাহের দিনটা ফেরৎ পেলাম। আমি বুজতে পারলাম বেহুলা কখনো স্বামী পরিত্যক্ত হয় না।  

নাছির/এমই