বগুড়ায় পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে দু’গ্রুপের সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনার জেরে প্রতিপক্ষের বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর ও আগুন দেয়ার ঘটনা ঘটেছে।
বগুড়া শহরতলীর এরুলিয়া ইউনিয়নের বানদীঘি গ্রামে শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয় এবং শনিবার সকালে আগুন দেয়া ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে কাঠ ব্যবসায়ী মিলন ও বাস চালক হিরুর দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়। শুক্রবার বিকেলে এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করলে পুলিশ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধির উপস্থিতিতে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
সন্ধ্যার পরে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে বানদীঘি গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে ওয়াহেদ আলী (৫৫) ও তার ছোট ভাই আব্দুস সামাদ (৫০) গুরুতর আহত হন।
এছাড়াও মিলন গ্রুপের লোকজন প্রতিপক্ষের দু’টি গরু পিটিয়ে মেরে ফেলে। আহত দুই ভাইকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে রাত ৩টার দিকে ওয়াহেদ আলী মারা যান।
ওয়াহেদ আলীর মৃত্যুর খবর গ্রামে জানাজানি হলে শনিবার সকালে গ্রামবাসী মিলনের কাঠের দোকান, আপেলের ধানের গুড়ার গোডাউন ছাড়াও ৮-১০টি বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিযন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। এসময় গ্রামে খবর আসে নিহত ওয়াহেদ আলীর ভাই আব্দুস সামাদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। এখবর পেয়ে গ্রামবাসী আরো উত্তেজিত হয়ে মিলন গ্রুপের বাড়িঘরে হামলা চালায়। পরে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
বগুড়া সদর থানার এসআই আব্দুর রাজ্জাক শেখ জানান, পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। পুনরায় সংঘর্ষের আশঙ্কায় ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
এমই





