টাঙ্গাইলে জমে উঠেছে ইফতারীর বাজার। বিভিন্ন রেস্টুরেন্টসহ ফুটপাতের দোকানগুলোতে বিভিন্ন রঙের কাপড় ও সামিয়ানা টানিয়ে ইফতার সামগ্রী নিয়ে বসেছেন ব্যবসায়ীরা।
ক্রেতাদের ভীড় সে সব দোকানে। নিন্ম মধ্যবিত্ত ও নিন্মবিত্ত মানুষসহ শহরের অধিকাংশ মানুষের এসব দোকানের ইফতার সামগ্রীই ভরসা।
টাঙ্গাইল শহরের কয়েকটি দোকান ঘুরে দেখা যায়, ইফতারীর দোকানগুলোতে বিক্রি হচ্ছে খেজুর, জিলাপি, ছোলা, আলুর চপ, বুন্দিয়া, মাংস পিঠা, শরবত, বোরহানি, বেগুনি, হালিমসহ বিভিন্ন মুখরোচক খাবার।
নিরালার মোড়, শহীদ জগলু রোড, পাঁচআনি বাজার মিষ্টি পট্টি, পুরাতন বাসস্ট্যান্ড, নতুন বাসস্ট্যান্ড, বটতলাসহ বিভিন্ন দোকানে দুপুরের পর থেকেই ইফতার সামগ্রী বিক্রি শুরু হয়।
আস্তে আস্তে ক্রেতাদেরও ভিড় বাড়তে থাকে সে সব দোকানগুলোতে। দাম নিয়ে তেমন কোন অভিযোগ নেই ক্রেতাদের। স্বাভাবিক দামই রাখা হচ্ছে বলে জানান জগলু রোডে ইফতারী কিনতে আসা মাসুদ রানা।
তিনি বলেন, আমি ইফতারি কিনতে এসেছি, খুব ভালই লাগছে। সব জিনিসের দাম গত বছরের সমান নেওয়ায় যতটুকু সম্ভব ইফতারি ক্রয় করতে পারছি। অপর ক্রেতা আরিফ মিয়া বলেন, ইফতারি দেখেতো মনে হয় কোন ভেজাল নেই। তবে আমরাতো খাবারের ভেজাল ধরতে পারবো না।
কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যাচাই করে জানা যাবে ভেজাল আছে কি নেই। রমজানের একটি মাস খাবারের প্রতি কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি রাখা দরকার। শফিকুর রহমান খান বলেন, আমি হালিম, পেয়াজু, ছোলা, মাংস পিঠা ক্রয় করেছি। দাম আগের মতো আছে।
নিরালা হোটেলের বিক্রেতা তাপস ঘোষ বলেন, আমরা প্রতি কেজি ছোলা ১২০ টাকা, পেয়াজু প্রতি কেজি ১৫০ টাকা, আলুর চপ প্রতি পিচ ৫ টকা, বুন্দিয়া প্রতি কেজি ১২০ টাকা, হালিম ছোট বাটি ১২০ টাকা, বড় বাটি ৩২০ টাকা, মাংস পিঠা প্রতি পিচ ১০ টাকা করে নিচ্ছি।
এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক খান মো. নুরুল আমিন বলেন, ভেজাল বিরোধী অভিযান শুরু হয়েছে। খাদ্যে ভেজাল পেলে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
কাওছার/এমএনজে





