কুষ্টিয়ায় বিএনপি কার্যালয় ও সভাপতি সৈয়দ মেহেদী রুমীর পত্রিকা অফিস ভাঙচুর করে ছাত্রলীগের নেতাকমীরা।

সোমবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে শহরের বড়বাজার রেলগেটে এ ঘটনা ঘটে। এদিকে কুষ্টিয়ায় বিএনপির 'গণতন্ত্র হত্যা দিবস' উপলক্ষে কালো পতাকা মিছিল থেকে হামলা চালিয়ে ১টি প্রাইভেটকারসহ ৫টি অটোরিকশা ভাঙচুর করেছে।

এ সময় পুলিশকে লক্ষ্য করে ৩টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার সময় বিএনপি, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবকদল 'গণতন্ত্র হত্যা দিবস' পালনে কালো পতাকা মিছিল বের করে।

মিছিলটি বড়বাজার পৌঁছালে তারা ১টি প্রাইভেটকারসহ ৫টি অটো ভাঙচুর করে। পুলিশ তাদের বাধা দিলে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। পরে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।

কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে। এ ঘটনায় পুলিশ কাউকে আটক করতে পারেনি। শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কে পুলিশের টহল জোরদার রয়েছে।

অন্যদিকে, কুষ্টিয়া সদর থানা যুবলীগের আহ্বায়ক আবু তৈয়ব বাদশার নেতৃত্বে সোমবার সকালে শহরের সাদ্দাম বাজার থেকে লাঠি মিছিল বের করে। শহরের এনএস রোড হয়ে তারা বঙ্গবন্ধু সুপার মার্কেটে জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে গিয়ে জড়ো হয়। পরে সেখান থেকে জেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের একটি মিছিল মজমপুর গেটের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুারালে গিয়ে শেষ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

কুষ্টিয়া পুলিশ সুপার প্রলয় চিসিম জানান, রোববার রাত থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত কুষ্টিয়ার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে নাশকতার আশঙ্কাকায় বিএনপি-জামায়াতের ২৩ নেতাকর্মীসহ ৩৫ জনকে আটক করা হয়েছে।

এর মধ্যে কুষ্টিয়ার শহরের বিএনপি কর্মীর কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগজিন ও এক রাউন্ড গুলিসহ আটক করা হয়েছে।

ইআর