কারসাজির মাধ্যমে কেউ যাতে চালের মূল্য বাড়াতে না পারে তার জন্য পদক্ষেপ নিয়েছে খাদ্য মন্ত্রণালয়। এ লক্ষ্যে চালের মূল্য নিয়ন্ত্রণে সাতটি বিশেষ বাজার মনিটরিং টিম গঠন করেছে সরকার।
আজ বুধবার (২৯ জানুয়ারি) খাদ্য মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মো. শামীম হাসান ও খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সারোয়ার মাহমুদ স্বাক্ষরিত আলাদা দু’টি অফিস আদেশে বিষয়টি জানানো হয়।
কোন ক্রমেই যেন মিল মালিক এবং ব্যবসায়ীরা বাড়তি সুবিধা না নিতে পারে। কৃষক যেন ন্যায্যমূল্য পান, অন্যদিকে ভোক্তারাও যাতে সহনীয় দামে চাল কিনে খেতে পারেন সেটা নিশ্চিত করতে হবে।
এ সময়ে মন্ত্রী চালের বাজার অস্থিতিশীল করতে কেউ যদি কারসাজির চেষ্টা করে তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ারও নির্দেশনা দেন।
খাদ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. শামীম হাসান এবং খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সারোয়ার মাহমুদ স্বাক্ষরিত পৃথক দুটি অফিস আদেশে বাজার মনিটরিং টিম গঠন করার বিষয়টি জানানো হয়।
এছাড়াও খাদ্যশস্যের বাজার মূল্যের উর্ধ্বগতির প্রবণতা রোধ, নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠীকে সহায়তা প্রদান এবং বাজারদর স্থিতিশীল রাখা, কৃষকদের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করার স্বার্থে খাদ্য মন্ত্রণালয় এবং খাদ্য অধিদপ্তরের অধীনে মোট ৭টি বাজার মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে।
চালের বাজারদরে ঊর্ধ্বগতি রোধে ঢাকা মহানগরের বড় বড় পাইকারি বাজার সরেজমিনে তদারকির জন্য খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে ৪টি এবং খাদ্য অধিদপ্তরের অধীনে ৩টি মনিটরিং কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটিগুলোকে বাজারদর সংগ্রহ করে খাদ্য মন্ত্রণালয় ও খাদ্য অধিদপ্তরে প্রতিবেদন দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বাজার মনিটরিংয়ের দায়িত্বে থাকা কমিটিগুলো প্রতিদিন বাজার মনিটরিং করবে।
প্রত্যেক কমিটিতে দুই জন করে সদস্য রয়েছেন। প্রতিটি কমিটিকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত নিয়মিত বাজার পরিবীক্ষণ করে বস্তুনিষ্ঠ প্রতিবেদন খাদ্য মন্ত্রণালয় ও খাদ্য অধিদপ্তরে দাখিলের জন্য বলা হয়েছে।
এর আগে গত ১ ডিসেম্বর ২০১৯ তারিখে চালের মূল্য সহনীয় রাখতে একটি কন্ট্রোল রুম এবং বিশেষ মনিটরিং টিম গঠন করেছিল সরকার। যা বর্তমানেও খোলা রয়েছে। বাজার পরিস্থিতি নিয়ে যে কেউ উল্লিখিত কন্ট্রোলরুমে অভিযোগ জানাতে পারবেন। অভিযোগ কেন্দ্রের ফোন নং ০২-৯৫৪০০২৭ এবং ০১৬৪২৯৬৭৭২৭।
এএস





