জুতা তৈরি করে ভাগ্য বদলিয়েছেন রায়মল রবিদাস। তার পিতার নাম মানিক রবিদাস ও মাতা ফুলস্বরী রাণী। পারিবারিক অচ্ছলতার কারণে বিদ্যালয়ের গন্ডি পাড়িদিতে পারেননি তিনি।
ফলে অল্প বয়সেই যোগ দিতে হয়েছে পৈত্রিক পেশা পুরাতন জুতা মেরামতের কাজে। বাবা-মা, ছোট ভাই-বোনের কথা চিন্তা করে খুব অল্প বয়সেই জুতা সেলাইয়ের কাজে নিয়োজিত হন তিনি।
এক বন্ধুর অনুপ্রেরণায় রংপুরের একটি জুতা তৈরির কারখানায় কাজ নেন তিনি। সেখানে প্রথমে ৩০০ টাকায় দিন চুক্তিতে কাজ শুরু করেন। এরপর কয়েক মাসের মধ্যে শিখে ফেলেন জুতা তৈরির সকল কলা-কৌশল। নিজেই একটা কারখানা দেওয়ার চিন্তা থাকলেও কিন্তু পুঁজির অভাবে তা করা সম্ভব হয়নি।
পরে আতিকুর রহমানের সহায়তায় দারিয়াপুর হালিমা সুপার মার্কেটে একটি দোকান ঘর ভাড় নিয়ে শুরু করেন নতুন জুতা তৈরির ব্যবসা। বর্তমানে তার দোকানে এখন তিন জন কর্মচারী কাজ করছেন।
তার হাতের তৈরি নৃত্য নতুন ডিজাইনের জুতা তরুণ প্রজন্মের নজর কেড়েছে। ফলে অল্পদিনের মধ্যেই তিনি সকলের মাঝে পরিচিতি লাভ করেন। এখন রায়মলের জুতার কদর সবার কাছেই।
রায়মল শুধু তার দোকানেই জুতা বিক্রি করেন না। তার হাতের তৈরি জুতা বিভিন্ন অঞ্চলে পাইকারী দরে বিক্রিও হচ্ছে। তিনি জানান, পাইকারী জুতায় তেমন লাভ না হলেও সেল বেশি হওয়ার কারণে পাইকারী জুতা বিক্রি করতে হয়।
সাদেকুল/এমএনজে





