বরিশাল নৌপথে নামছে বিআইডব্লিউটিসির নতুন তৈরী করা জাহাজ এমভি মধুমতি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কাল সকাল সাড়ে ১১টায় গণভবনে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এমভি মধুমতির যাত্রা আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করবেন।

এর আগে নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাজামান খান ও বিআইডব্লিউটিসি’র চেয়ারম্যান মো. মিজানুর রহমান সদর ঘাটে জাহাজটি নিয়ে উপস্থিত থাকবেন।

প্রায় ২৭ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্পোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) বিলাসবহুল এ জাহাজের যাত্রী ধারণক্ষমতা ৭৫০ জন। সোমবার সকালে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের দেয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

দ্বিতলা বিশিষ্ট এই জাহাজটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ২৬ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। যাত্রী ধারণক্ষমতা ৭৫০ জন। দৈর্ঘ্য ৭৫.৫০ মিটার এবং প্রস্থ ১২.৫০ মিটার।

এদিকে বিআইডব্লিউটিসির এক সূত্র জানায়, ওয়েস্টার্ন মেরিন কোম্পানির সঙ্গে ২০১২ সালের ৪ অক্টোবর মধুমতি নির্মাণে চুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী নির্মাণ শেষে জাহাজটি বিআইডব্লিউটিসির কাছে হস্তান্তর করা হয়। সংস্থার স্টিমার সার্ভিসের মতোই এটি সার্ভিস দেবে।

এমভি মধুমতির প্রকৌশলী গোপাল কৃষ্ণ সাহা জানান, জাপানি শক্তিশালী ২ ইঞ্জিন বিশিষ্ট জাহাজটিতে চারটি ভিআইপি ফ্যামিলি স্যুট (গোলাপ, শাপলা, টিউলিপ, পদ্ম) রয়েছে। প্রথম শ্রেণির সিঙ্গেল ফেমিলি স্যুট (ডাবল বেডের কাপল) ১৮টি। প্রথম শ্রেণির সিঙ্গেল কেবিন ৪টি, ডাবল কেবিন ৩৪টি এবং ২য় শ্রেণির চেয়ার সিট ৪২টি। ডেকে সাড়ে ৫শ’ যাত্রীর জায়গা রয়েছে।

এমভি মধুমতির মাস্টার ক্যাপ্টেন আবিদ মো. বদরুল আলম জানান, যাত্রী পরিবহনে জাহাজটি সম্পূর্ণ প্রস্তুত হয়ে আছে। ট্রায়াল দেয়ার পর জাহাজটি বিআইডব্লিউটিসির তত্ত্বাবধায়নে ঢাকায় রয়েছে। স্বাচ্ছন্দ্যে আরামদায়ক ভ্রমণের জন্য অত্যাধুনিক এ জাহাজটি যাত্রীদের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। একইসঙ্গে নিরাপদ ভ্রমণের নিশ্চয়তা রয়েছে। ঝড় হলেও এ জাহাজের যাত্রীদের ভয়ের কিছু নেই। জাহাজটিতে পর্যাপ্ত ভেন্টিলেশন করে দেয়ার কারণে ঝড়ো হাওয়ায় দূঘর্টনার আশঙ্কা খুবই কম।

এমএইচ