সরকারি নির্দেশনার চিঠি গোপন করে পাটগ্রাম উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম কিবরিয়া চুপিসারে ১০ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মনগোড়া তালিকা করে মোটা অঙ্কের অর্থ কামিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে ডজন খানেক প্রধান শিক্ষক গত বৃহঃবার সকালে ইউএনও'র কার্যালয়ে এক জরুরী বৈঠকে মিলিত হয়েছেন।
সেখানে উপজেলা চেয়ারম্যান রুহুল আমীন বাবুলের উপস্থিতিতে ইউএনও নুর কুতুবুল আলম শিক্ষকদের জানান, জেলার ৫ উপজেলার প্রত্যেকটিতে ১০ টি করে প্রথম শ্রেণির শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম তালিকা সমন্বয় করা হয়নি।
পাটগ্রাম ইউএনও নুর কুতুবুল আলমের কাছে এব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ১০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম প্রেরণ করার কোন খবর তিনি জানতেন না। পাটগ্রামে যে ১০ টি প্রতিষ্ঠানের নাম তালিকা করা হয়েছে তাতে ইউএনও, উপজেলা চেয়ারম্যান কোন নথিপত্র পাননি।
কত টাকার বিনিময়ে কোন ক্যাটাগরিতে এ তালিকা করা হয়েছে তা পাটগ্রাম শিক্ষাকর্মকর্তার কাছে জানতে চাইলে তিনি সঠিক জবাব দিতে পারেনি।
ইউএনও, উপজেলা চেয়ারম্যান অনুলিপি পাওয়ার কথা কিন্তু গোপন লেনদেনের কারনে বিষয়টি জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাসহ গোপনেই বাগিয়ে নেন। এ কারনে প্রধান শিক্ষকগণ ফুঁসে উঠেছেন। ক্ষিপ্ত প্রধান শিক্ষকরা মাধ্যমিক কার্যালয়ে তালা দিতে গেলে উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে তা করতে পারেননি।
এ ঘটনায় ২৭ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১৭ প্রধান শিক্ষক ক্ষোভে শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম কিবরিয়া এর শাস্তি দাবী করেন। মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির একাংশের সভাপতি প্রধান শিক্ষক আব্দুল ওহাব প্রধান ও সাধারন সম্পাদক মাঈদুল ইসলাম এ ব্যাপারে থ' বনে গেছেন।
অপর একাংশের সভাপতি প্রধান শিক্ষক মোশারফ হোসেন ও সাধারন সম্পাদক ওয়ালিউর রহমান সোহেলের নেতৃত্বে প্রধান শিক্ষকরা আন্দোলনমুখী হচ্ছেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাকালীন সময়, অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও ফলাফল কোনটাই বিবেচনা না করে আজগুবি এ তালিকা মানতে নারাজ শিক্ষক সমাজ।
দোহা/এমএনজে





