রোববার (১২ জুলাই) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

চট্টগ্রাম জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, আজ দুপুর ১২টা পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রামের ১৬টি উপজেলার (মহানগরসহ বাঁশখালী, সন্দ্বীপ, সাতকানিয়া, আনোয়ারা, কর্ণফুলী, সীতাকুন্ড, মীরসরাই, হাটহাজারী, রাউজান, রাঙ্গুনিয়া, বোয়ালখালী, পটিয়া, চন্দনাইশ, লোহাগাড়া ও ফটিকছড়ি) মোট ১৫২টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে।

সরকারি হিসাব মতে, বর্তমানে জেলার ১ লাখ ৪৭ হাজার ৫০০টি পরিবার সম্পূর্ণ পানিবন্দি অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। গৃহহীন ও প্লাবিত এলাকার মানুষের জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। ইতোমধ্যে ৫৮০টি আশ্রয়কেন্দ্র চালু করা হয়েছে, যেখানে ২১ হাজার ৯০০ জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, উপদ্রুত এলাকায় এ পর্যন্ত বরাদ্দ হওয়া ১ হাজার ২০০ মেট্রিক টন চালের মধ্যে ৭১০ মেট্রিক টন চাল বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া বরাদ্দ করা ৮৫ লাখ টাকা নগদ সহায়তার মধ্যে ৬০ লাখ টাকা বিতরণ করা হয়েছে। বন্যাকবলিত এলাকার মানুষের জরুরি খাদ্য সংকট মেটাতে ৩৯ হাজার ২৫০ প্যাকেট শুকনো খাবার এবং ১৫ হাজার ১০০ প্যাকেট রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয়েছ।

বর্তমানে জেলা প্রশাসনের তহবিলে ৪৯০ মেট্রিক টন চাল এবং ২৫ লাখ টাকা নগদ অর্থ মজুদ রয়েছে, যা পর্যায়ক্রমে ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে বিতরণ করা হবে।

এস