সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক মীরজাদি সেব্রিনা ফ্লোরা বলেছেন, ‘এখন পর্যন্ত যে তিন রোগী শনাক্ত হয়েছে তাতে করে সারা বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে এমন কোনো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। সুতরাং স্কুল-কলেজ বন্ধ করার প্রয়োজন নেই।

তবে আমি সবাইকে পরামর্শ দেব প্রয়োজন না হলে জনসমাগম স্থলে না গিয়ে যদি বাড়িতে থাকা যায় সেটাই শ্রেয়। তবে স্কুল-কলেজ বন্ধ করে দেওয়ার প্রয়োজন নেই।’

আজ  রোববার বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে আইইডিসিআরের পরিচালক অধ্যাপক মীরজাদি সেব্রিনা ফ্লোরা এসব কথা বলেন।

অধ্যাপক মীরজাদি সেব্রিনা জানান, আক্রান্তদের দুজন ইতালি থেকে এসেছেন। অন্যজন তাদের সংস্পর্শে আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের কোয়ারেন্টাইনে ভর্তি করা হয়েছে। তবে তাদের পাশাপাশি তাদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের নমুনাও সংগ্রহ করা হয়েছে।

মীরজাদি সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, ‘তবে সারা দেশে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। করোনায় আক্রান্তদের মধ্যে দুজন ইতালি থেকে দেশে ফেরত আসেন। শংকা থাকায় তাঁরা আমাদের হটলাইনে যোগাযোগ করেন। এরপর আমরা পরীক্ষা করেই দেখতে পাই তাঁরা আক্রান্ত। এ সময় তাদের পরিবারের একজনও ওই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।’

সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে সেব্রিনা বলেন, ‘এ সংক্রমণ প্রতিরোধে এখনই সবার মাক্স পরার মতো সময় হয়নি। তবে বলব সবাইকে সচেতন হতে হবে। সবাই সব সময় সাবান পানি দিয়ে হাত ধুয়ে পরিষ্কার থাকবেন। সবাই কাশির শিষ্টাচার মেনে চলবেন।’

এক প্রশ্নের জবাবে মীরজাদি সেব্রিনা বলেন, ‘আমরা ঢাকার বাইরে খোঁজ রাখছি। করোনাভাইরাস প্রতিরোধে আমরা সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছি।’

প্রস্তুতির বিষয়ে সেব্রিনা বলেন, ‘আমরা আইসোলেশন ইউনিট করেছিলাম। এখন আইসোলেটেড হসপিটাল আইডেন্টিফাই করছি। এ আইসোলেটেড হসপিটালগুলো ঢাকার বাইরেও আইডেন্টিফাই করা হচ্ছে। এর পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে যদি রোগী আরো বৃদ্ধি পায়, প্রস্তুতি হিসেবে স্কুল-কলেজ কমিউনিটি সেন্টার এসব জায়গায় যদি হাসপাতাল করার  প্রয়োজন হয়, সে পরিকল্পনাও আমাদের মধ্যে আছে।’

এমআর