নওগাঁর রাণীনগরে সাব-রেজিষ্ট্রী অফিসে এস,এস,সি পাস না করে বানানো সার্টিফিকেট দিয়ে দলিল লেখকের লাইসেন্স করে দীর্ঘদিন যাবৎ দলিল লেখার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। তারা পরবর্তীতে বিভিন্ন জায়গায় উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে এস,এস,সি পরীক্ষায় কেউ পাস কেউ ফেল করে অতীতকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। যেন দেখার কেউ নেই।

জানা যায়, রাণীনগর সাব-রেজিষ্ট্রী অফিসে উপজেলার এনায়েতপুর গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে এরশাদ হোসেন পলাশ সনদ নং (৭৬), পূর্ব বালুভরা গ্রামের মৃত-এচাহক আলীর ছেলে আব্দুল মতিন সনদ নং (৯৮), চকমনু গ্রামের মৃত-হাদেস আলী বাদেশের ছেলে ইলিয়াস কাঞ্চন খোরশেদ সনদ নং (৮৫) সহ আরো অনেকে, ২০০৮ সালের পরে তারা এস,এস,সি পাস বানানো সাটিফিকেট দিয়ে জেলা রেজিষ্টারের নিকট থেকে দলিল লেখক এর সনদ গ্রহন করেছে। গ্রহন করা পর থেকে তারা এখন পর্যন্ত দলিল লেখার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। উক্ত আব্দুল মতিন, পলাশ, খোশেদ, তারা তিন জন জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি লাল বিহারী পাইলট উচ্চ

বিদ্যালয়ের উনমুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় শাখায় ভর্তি হয়ে ২০১৫ইং সালে অনুষ্ঠিত এস,এস,সি পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে আব্দুল মতিন, ও এরশাদ হোসেন পলাশ নামের দুইজন ব্যাক্তি পাস করে আর ইলিয়াস কাঞ্চন খোরশেদ ফেল করেছে। উক্ত বিষয়ে দলিল লেখক সমিতির সকল সদস্যরা জানলেও এদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা করে পারেনা। আসলে তাদের খুঁটির জোর কোথায়। আরো জানা যায় কয়েকজন নতুন দলিল লেখক এদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সরকারী দপ্তরে লিখিত ভাবে অভিযোগ করলে কোন প্রতিকার পায়নি তারা।

এ বিষয়ে রাণীনগর সাব-রেজিষ্ট্রার মো: ইসমাইল হোসেন বলেন, আমি এই সাব-রেজিষ্ট্রী অফিসে নতুন যোগদান করেছি। এই বিষয়ে আমার কোন কিছু জানা নেই তবে বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখা হবে। এবিষয়ে রাণীনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সোনিয়া বিনতে তাবিব বলেন, আমি এ ব্যাপারে কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি অভিযোগ পেলে ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

জেড