ঘাঘট নদীর পানি কমতে থাকায় প্রবল স্রোতে গাইবান্ধার সাদুল্যাপুরে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাধ হুমকীর মুখে পড়েছে। বাধটির বিভিন্ন স্থানে ধসে পড়ে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে সাদুল্যাপুর উপজেলা শহর থেকে কামারপাড়া ইউনিয়নের পুরান লক্ষীপুর গ্রামের হীরালাল দাসের বাড়ী হইতে নান্নুর বাড়ী পযর্ন্ত প্রায় অর্ধ কিলোমিটার বাধের অধিকাংশ জায়গাসহ বেশকিছু পরিবার নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

ফলে সদর থানার কুপতলা ইউনিয়নসহ কামারপাড়া বাসীর সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিছ্ন্নি হয়ে পড়েছে। এ কারণে বাধটি চলাচলে অনুপযোগী হয়ে পড়ায় ওইসব এলাকার লক্ষাধিক মানুষ চিকিৎসাসেবাসহ হাট-বাজার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জীবনের ঝুকি নিয়ে চলাচল করছে।

এছাড়াও সাদুল্যাপুর উপজেলা দিয়ে বয়ে যাওয়া ঘাঘট নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাধের পশ্চিম পাড়ের সামাদ মেম্বার বাড়ী হতে জয়েনপুর গ্রামের মজিবর মাস্টারের বাড়ী পর্যন্ত, জামালপুর ইউনিয়নের সীট জামুডাঙ্গা গ্রাম থেকে হামিন্দপুর গ্রামের আবুর বাড়ী পযর্ন্ত বনগ্রাম ইউনিয়নের হিয়ালী হতে শালাইপুর ও নদীর পুর্বপাড়ে টুনিরচর গ্রামসহ প্রায় আড়াই কিলোমিটার বাধ নদীতে বিলীন হলেও পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষের টনক নড়েনি।

কামারপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ওসমান গণি (তারা) টাইমনিউজবিডি'কে জানান, এখানকার বাধটি নদীগর্ভে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে একাধিকবার জানালেও সংস্কারের পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি কর্তপক্ষ।

সাবেক মেম্বার জাহাঙ্গীর হোসেন জানায়, বাধটি সম্পুর্ণ রুপে নদীগর্ভে বিলীন হলে প্রায় কয়েক শতাধিক একর জমির ফসল উৎপাদনে ব্যাহত ঘটবে। ফলে ওইসব এলাকার বেশকিছু কাঁচা-পাকা বসতবাড়ী হুমকীর মুখে পড়েছে। সেই সাথে চলাচলের রাস্তাও বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।

এআর