নিউইয়র্ক থেকে দেশে ফেরার পথে লন্ডনে একদিনের যাত্রাবিরতি করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। লন্ডন পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রীকে প্রাণঢালা অভ্যর্থনা ও অভিনন্দন জানানো হয়।

শুক্রবার স্থানীয় সময় রাত সাড়ে আটটার দিকে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে লন্ডন থেকে দেশের উদ্দেশে রওনা দেবেন প্রধানমন্ত্রী।

বাসসের খবর অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী ফ্লাইটটি সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সংক্ষিপ্ত যাত্রাবিরতি করবে। কাল শনিবার দুপুর নাগাদ প্রধানমন্ত্রী ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে আট দিনের সফরে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীরা গতকাল বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় সকালে নিউইয়র্ক ছাড়েন। ফ্লাইটটি গতকাল লন্ডনের স্থানীয় সময় রাত আটটার দিকে হিথরো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়।

লন্ডনে অবস্থানরত জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী, জনপ্রশাসন মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম,
যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার এম এ হান্নান, যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সভাপতি সুলতান মাহমুদ শরীফ, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাজিদুর রহমান বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা ও অভিনন্দন জানান।

বিমানবন্দর থেকে প্রধানমন্ত্রী যান হোটেল ক্ল্যারিজে। লন্ডনে যাত্রাবিরতিকালে এই হোটেলেই অবস্থান করবেন তিনি। 

প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানাতে ওই হোটেলের সামনে জড়ো হন দলের কয়েক শ নেতাকর্মী।

বিক্ষোভ দেখাতে একই হোটেলের সামনে যুক্তরাজ্য বিএনপির নেতাকর্মীরাও অবস্থান নেন।

অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে দুই পক্ষের জন্য আলাদা স্থান নির্ধারণ করে দেয় লন্ডন পুলিশ। হোটেলের সামনের ব্যস্ত সড়কে স্থানীয় সময় রাত প্রায় ১০টা পর্যন্ত উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি বিক্ষোভ-স্লোগান চলে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সেখানে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পুলিশ উপস্থিত ছিল।

যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সভাপতি সুলতান মাহমুদ শরীফ বলেন, দুটি সম্মানজনক পুরস্কার জেতায় যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ প্রধানমন্ত্রীকে একটি বড় সংবর্ধনা দিতে চেয়েছিল। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর সময়ের স্বল্পতায় ও আজ শুক্রবার হওয়ায় তা সম্ভব হচ্ছে না। তবে জুমার নামাজের পর দলের নেতারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।

জেআই