নেপালের বিদ্যুৎ মন্ত্রী রাধা কুমারী গোয়ালী এবং বাংলাদেশের খনিজ, জ্বালানী ও বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নুসরুল হামিদ বিপু জানিয়েছেন, অচিরেই নেপাল থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ আসবে।
মন্ত্রীদ্বয় বলেন, নেপালের সাথে বিদ্যুৎ আমদানীর বিষয়ে আমরা ইতোমধ্যেই দু’দেশ একমত হয়েছি। অচিরেই নেপালের বিদ্যুৎ বাংলাদেশে আসবে। তারা আমাদের কাছে একটা ডাফ্রট কপি চেয়েছে।
তারা বলেন, আমরা শিগগিরই ডাফ্রট কপি পাঠাবো। বিদ্যুৎ আমদানীর বিষয়টি মোটামুটি একটা ভাল পর্যায়ের দিকে যাচ্ছে। আমরা কি উপায়ে নেপাল থেকে বিদ্যুৎ নেবো সে বিষয়েও উনারা দেখতে এসেছেন।
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় ভারত থেকে আমদানীকৃত ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ’র ব্যাক টু ব্যাক সাব ষ্টেশন এবং সঞ্চালন লাইন পরিদর্শনে এসে মন্ত্রীদ্বয় নেপাল থেকে বিদ্যুৎ আমদানীর সম্ভব্যতার বিষয়ে এসব কথা জানান।
নেপালের বিদ্যুৎ মন্ত্রী রাধা কুমারী গোয়ালী এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানীর সিসটেম এবং নেপাল থেকে বিদ্যুৎ আমদানী যে সিসটেমে করা হবে তা দেখে আমি সন্তুষ্ট।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ, ভারত এবং নেপাল এই ৩ দেশে এর্নাজি সেক্টরে উন্নয়ন করার ক্ষেত্রে একমত হয়েছে। এর আগে সকাল ১০টা ৫০ মিনিটের দিকে হেলিকপ্টর যোগে উপকেন্দ্রে এসে পৌছান ৪সদস্যের নেপাল প্রতিনিধি দল।
সঙ্গে ছিলেন বাংলাদেশের খনিজ, জ্বালানী ও বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নুসরুল হামিদ বিপু। এ সময় কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক সৈয়দ বেলাল হোসেন তাদেরকে স্বগত জানান।
এরপর কনফারেন্স রুমে দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের নেতৃবৃন্দের ঘণ্টাব্যাপী রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন। বৈঠকে ভিডিও চিত্রের মাধ্যমে দেখানো হয় কিভাবে ভারত বিদ্যুৎ আমদানী করা হয়েছে এবং কিভাবে এবং কোন সিস্টেমে নেপাল থেকে বিদ্যুৎ আমদানী করা হবে।
বৈঠক শেষে মন্ত্রীদ্বয় এসব বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, নেপালের রাষ্ট্রদুত হরি কুমার শ্রেষ্টা, যুগ্ন সচিব কেশর বোস, যুগ্ন পরিচালক ইলেকট্রিসিটি নেরমালা শর্মা, দিপক কুমার রামেদার, বাংলাদেশের পক্ষে ছিলেন বিদ্যুৎ মন্ত্রনালয়ের যুগ্ন সচিব আনোয়ার হোসেন, মাহাবুল আলম, পিজিসিবির এম ডি এবং পিজিসিবি’র সাবেক প্রকল্প পরিচালক কাজী ইসতিয়াক হাসান প্রমুখ।
ঢাকা, ৭ আগস্ট, টাইমনিউজিবিড.কম, এআর





