কুষ্টিয়ার মিরপুরে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নাজমুল ইসলাম সাগর (২৯) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন।
প্রথম রমজানের সেহরির আগ মুহূর্তে উপজেলার কাতলামারী সড়কে এই বন্দুকযুদ্ধ হয়।
পুলিশের দাবি, ওই সড়কে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধ হয়। এতে কুষ্টিয়ার আলোচিত জাসদ নেতা পাঞ্জের হত্যা মামলার অন্যতম আসামি সাগর নিহত হয়।
পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি ও রামদা উদ্ধার করেছে। ডাকাতদের হামলায় তাদের দুইজন সদস্য আহত হয়েছেন বলেও দাবি করেছে পুলিশ।
মিরপুর থানার অফিসার ইন চর্জি (ওসি) জালাল উদ্দিন আহমেদের ভাষ্যে, কুষ্টিয়া-মেহেরপুর সড়কের মিরপুর উপজেলাধীন কাতলামারীতে গাছ কেটে ডাকাতির প্রস্তুতি চলছে- এমন খবরে মিরপুর থানার টহল পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এ সময় ডাকাতরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে ও কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়।
এ সময় পুলিশও পাল্টা গুলি চালালে উভয়পক্ষের প্রায় ঘণ্টাব্যাপী বন্দুকযুদ্ধ হয়। এতে নাজমুল ইসলাম সাগর গুলিবিদ্ধ হন। সহযোগীরা পালিয়ে গেলে তাকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক সাগরকে মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি সাটারগান, ৩ রাউন্ড গুলি ও দুটি রামদা উদ্ধার করে।
ওসি জানান, নিহত নাজমুল ইসলাম সাগর কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার খলিশাকুন্ডি কামারপাড়া গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে। তিনি চাঞ্চল্যকর জাসদ নেতা পাঞ্জের হত্যা মামলার অন্যতম আসামি।
সম্প্রতি ওই মামলায় জামিনে মুক্তি পেয়ে সাগর ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিলেন।
তার বিরুদ্ধে মিরপুর ও দৌলতপুর থানায় অন্তত চারটি মামলা রয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে বলেও জানান ওসি জালাল উদ্দিন আহমেদ।
কেএইচ





