ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৩ জন নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ৫০ জন।
নিহতরা হলেন- বাসচালক রওশন মিয়া ও মীরাকুণ্ড নামে এক নারী। পরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান আরো একজন বাসযাত্রী ।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে উপজেলার নওপাড়া নামক স্থানে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ভাঙ্গায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আতাউর রহমান এ দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, বরিশাল থেকে সৈয়দপুরগামী তুহিন পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস ও ফরিদপুর থেকে টেকেরহাটগামী একটি লোকাল বাসের মধ্যে মুখোমুখী সংঘর্ষে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।
আহত ৫০ জনকে প্রথমে ভাঙ্গা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে গুরুতর আহত ২৫ জনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
আহতদের মধ্যে যাদের পরিচয় পাওয়া গেছে- রাজবাড়ী জেলার কানাই, সদরপুর থানার মনির হোসেন, মাশরাফি ও নমিতা, নাটোর জেলার শাহ আলম, আলামিন, আরফিন ও পারভীন, মুকসুদপুর থানার তৌহিদ, আলম, সেন্টু, শ্রেয়া, লতিকা, নিত্য ও মিলন, ফরিদপুরের ভাঙ্গার আসমা, মামুন, লিমা, মমতাজ, লিয়াকত ও মৌসুমী, বরিশালের সিয়াম, মুন্নী, শাহীন, লিপু, সালমা ও আবদুল্লাহ, মাদারীপুরের ফারিহা, জুঁই ও রাজিয়া।
দুর্ঘটনার পর ঘণ্টাব্যাপী রাস্তার দুই পাশে শত শত যানবাহন আটকা পড়লে হাইওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের সহায়তায় ফের যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
ফরিদপুরের অ্যাডিশনাল এসপি সাইফুজ্জামান, ভাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুকতাদিরুল আহমেদ, এএসপি ভাঙ্গা সার্কেল রবিউল ইসলাম, ওসি হাইওয়ে আতাউর রহমান ও ওসি ভাঙ্গা সাইদুজ্জামান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
তুহিন পরিবহনের যাত্রী আহত লিমা আক্তার জানান, লোকাল বাসটি উল্টোপাশে এসে আমাদের গাড়িতে ধাক্কা মারে। তখনই চালক নিয়ন্ত্রণ হারায়।
অপর এক যাত্রী জানান, বেপরোয়া চালানো এবং দুর্ঘটনাস্থলের পাশেই সরু কালভার্ট ব্রিজ হওয়ায় ওই বাসকে সাইড দিতে গিয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।
আতাউর রহমান জানান, দুর্ঘটনাস্থলে লোকাল বাসের চালক স্থানীয় নগরকান্দা উপজেলার রওশন ফকির (৩৫) ও রাজবাড়ী।
এএস





