দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে পর্যায়ক্রমে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের গভর্নিং বোর্ডের বৈঠকে শেখহাসিনা দেশে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প গড়ে তোলার তাগিদ দিয়ে বলেন, অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠায়তার সরকার আরো নতুন নতুন এলাকা চিহ্নিত করছে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সরকার প্রধানের সভাপতিত্বে বাংলাদেশ অর্থনৈতিকঅঞ্চল কর্তৃপক্ষের গভর্নিং বোর্ডের এটি ছিল তৃতীয় বৈঠক।

পরে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের জানান, বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী দেশী-বিদেশিবিনিয়োগ বাড়াতে নতুন নতুন ধারণা নিয়ে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।

প্রেস সচিববলেন, “অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠায় বিদ্যুৎ সংযোগ এবং যোগাযোগের ওপরগুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বিনিয়োগকারীরাপ্রয়োজনে নিজ উদ্যোগে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারবে,”।

পরিবেশ রক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী প্রতিটি অর্থনৈতিক অঞ্চলেজলাধার থাকার আবশ্যকতার কথাও বলেছেন।

ইহসানুল করিম বলেন, দেশের নাগরিকদের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি পাওয়ার কথা উল্লেখ করে অভ্যন্তরীণবাজার সৃষ্টির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা নির্ধারণ করে উৎপাদনের পরমর্শওদেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা কৃষি প্রক্রিয়াজাত শিল্প গড়ে তোলার পাশাপাশি ক্ষুদ্র যন্ত্রাংশরপ্তানি বাড়ানোর পরামর্শও দেন।

কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে শ্রমঘন শিল্প গড়ে তোলার ওপরও প্রধানমন্ত্রী জোরদেন।

বৈঠকে অংশনেন, শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফয়েল আহমদ, পূর্তমন্ত্রী মোশাররফ হোসেন, বেসরকারি বিমানচলাচল ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, যোগাযোগমন্ত্রীওবায়দুল কাদের, ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ, রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রীইয়াফেস ওসমান, বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নু প্রমুখ।

এমএ