চলমান অবরোধে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় পণ্যবাহী গাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও ভাংচুরের ফলে গত এক সপ্তাহে পণ্য পরিবহন এজেন্সীর প্রায় ৫তিন কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।
চলতি সপ্তাহে খাজা মাইনউদ্দিন ট্রান্সপোর্ট, কাজল পরিবহন ও জেনারেল ট্রান্সপোর্টের পণ্যবাহী গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ফলে প্রায় ৩ কোটি টাকারও বেশি ক্ষতি হয়েছে।
আজ বুধবার ঢাকা মহানগর পণ্য পরিবহন এজেন্সী মালিক সমিতির বিশেষ জরুরি সভায় এ তথ্য পরিবেশন করা হয়।
সভায় অবরোধে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগে ক্ষতিপুরন দেয়ার জন্য সরকারেরে কাছে দাবি জানানো হয়।
সমিতির সভাপতি আবদুল মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন সাধারন সম্পাদক দোলন কান্তি বড়–য়া, দিলীপ সাহা, জাহাঙ্গীর হোসেন, মতিউর রহমান, শামসুল ইসলাম, সুভাষ সাহা, রনজিৎ সাহা, রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।
সভায় উদ্ভেগের সঙ্গে জানানো হয়, দেশের প্রায় সবগুলো সড়কই বর্তমানে অরক্ষিত। আর এ অরক্ষিত সড়কে পণ্য পরিবহন করতে গিয়ে ক্ষতির সম্মুখিন হলেও নিরাপত্তার জন্য প্রশাসনের কাছ থেকে কোন সহযোগিতা ও ক্ষতিপুরন পাওয়া যায়নি।
এছাড়া যানবাহনে এভাবে ভাংচুরও অগ্নিসংযোগ চলতে থাকলে এবং এ ব্যাপারে সরকারের কাছ থেকে কোন সহায়তা না পেলে ঢাকার সঙ্গে সারা দেশের পণ্য পরিবহনের বুকিং ও সরবরাহ বন্ধ করে দেয়া হবে।
সভায় আরোন বলা হয় গত ৫ জানুয়ারি থেকে সারা দেশে লাগাতার অবরোধ ও হরতালে বিভিন্ন স্থানে পণ্যবাহী গাড়িতে অগ্নিসংযোগ , ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা বেড়েই চলছে।
সমিতির নেতারা এঘটনায় উপযুক্ত ক্ষতিপুরন প্রদানের দাবি জানান।
সভায় বলা হয় উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলা, চাদপুর, নোয়াখালী, ফেনীসহ বিভিন্ন
অঞ্চলে পণ্যপরিবহন অসম্ভব হয়ে দাড়িয়েছে। সংগঠনভুক্ত এজেন্সীর প্রায় এক হাজার ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় পণ্য পরিবহনের মাধ্যমে ব্যবসা ও অর্থনৈতিক উন্নতিতে ভুমিকা রাখছে অথচ এই পরিবহনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই।
সরকার কাছ থেকে কোন ক্ষতিপুরন পাওয়া যাচ্ছে না। এমনকি ২০১৩ সালে সহিংস ঘটনায়ও এজেন্সী মালিকরা কোন ক্ষতিপুরন পায়নি। তাই এভাবে চলতে থাকলে পণ্য পরিবহন বন্ধ রাখা অর্থাৎ মালামাল বুকিং ও সরবরাহ বন্ধ করা ছাড়া এজেন্সী মালিকদের আর কোন উপায় থাকবে না বলে হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন নেতারা।
একে/এসএইচ





