লিশের মহাপরিদর্শক ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী বলেছেন, সাংবাদিকদের লেখনীর মাধ্যমেই জনগণ পুলিশের কার্যক্রম সম্পর্কে জানতে পারেন। পুলিশের ইতিবাচক সংবাদ, ভালো কাজের খবর গণমাধ্যমে উঠে এলে সমাজে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। পুলিশ সদস্যরা অনুপ্রাণিত হয়।

মঙ্গলবার বিকালে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলনকক্ষে বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) নবনির্বাচিত কার্যনিবাহী কমিটির সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ কথা বলেন তিনি।

এ সময় ক্র্যাবের সভাপতি আবু সালেহ আকন ও সাধারণ সম্পাদক সরোয়ার আলম বক্তব্য রাখেন। সভায় অতিরিক্ত আইজিপি (ক্রাইম ম্যানেজমেন্ট) মো. মহসিন হোসেন, ডিআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড প্ল্যানিং) এ কে এম শহিদুর রহমান, অতিরিক্ত ডিআইজি (পার্সোনেল ম্যানেজমেন্ট-১) হাবিবুর রহমান, অতিরিক্ত ডিআইজি (স্পেশাল ক্রাইম ম্যানেজমেন্ট) মো. রেজাউল করিম, অতিরিক্ত ডিআইজি (ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড স্পেশাল অ্যাফেয়ার্স) মো. মনিরুজ্জামান, এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) সহেলী ফেরদৌস, সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা এ কে এম কামরুল আহছান এবং ক্র্যাবের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

জাবেদ পাটোয়ারী বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে জঙ্গি দমন কার্যক্রমে গণমাধ্যম পুলিশকে ব্যাপক সহযোগিতা করেছে। পুলিশের জঙ্গি দমন অভিযান ইতিবাচকভাবে প্রচার হয়েছে বলেই আমরা সফল হয়েছি।

দেশব্যাপী জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে উঠেছে। ভবিষ্যতেও অপরাধ দমন বিশেষ করে জঙ্গি দমন এবং মাদক নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

সাংবাদিকদের জাতির বিবেক এবং সমাজের দর্পণ আখ্যায়িত করে আইজিপি বলেন, অনেক সময় আপনারা আমাদের ভুলভ্রান্তির কথা তুলে ধরেন, যা আমাদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

পুলিশ এবং সাংবাদিক একই লক্ষ্যে সমাজের উন্নয়নে দেশের কল্যাণে কাজ করে থাকে। ক্রাইম রিপোর্টারদের সঙ্গে পুলিশের বিরাজমান পারস্পারিক শ্রদ্ধা ও আস্থার সম্পর্ক ভবিষ্যতে এক নতুন উচ্চতায় উপনীত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এমআর