ক্ষমতার অপব্যবহার করে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে পাবনার বেড়া পৌরসভার মেয়র আব্দুল বাতেনসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে আলাদা দু’টি মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বৃহস্পতিবার রাতে দুদক পাবনার উপসহকারী পরিচালক জালাল উদ্দিন বাদী হয়ে পাবনার বেড়া থানায় মামলা দু’টি দায়ের করেন।
বেড়া থানার অফিসার ইন চার্জ (ওসি) মশিউর রহমান মামলা দায়েরের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আমরা মামলা নিলেও এর তদন্ত করবে দুদক।
মামলার বিবরণে জানা যায়, নিয়মনীতি উপেক্ষা করে বেড়া সিএন্ডবি করমজা নতুন হাটকে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে ব্যক্তিমালিকানাধীন দেখিয়ে ১ বছরের স্থলে দুই দফায় ১৩ বছর অবৈধভাবে ইজারা দিয়ে ভোগদখল করেন মেয়র বাতেনসহ আসামিরা। শুধু তাই নয়, রাজস্ব আয় বাবদ প্রায় ৭৮ লাখ ৬ হাজার ৮৪৫ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা না দিয়ে আসামিরা আত্মসাত করেছেন বলে অভিযোগ দুদকের।
১৭ নম্বর মামলার আসামিরা হলেন মেয়র আব্দুল বাতেন, পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী খন্দকার ফিরোজুল আলম, পৌর কাউন্সিলর যথাক্রমে হাবিবুর রহমান হবি, আবু দাউদ শেখ, জয়নাল আবেদিন, শামসুল হক খান, এনামুল হক শামিম, আব্দুর রাজ্জাক সরদার, ইসলাম উদ্দিন, আব্দুস সামাদ মহলদার, শহিদ আলী, মহিলা কাউন্সিলর নার্গিস আক্তার এবং হাটের ইজারাদার মাহবুব হোসেন বাবলু। অপর মামলায়ও এসব আসামি রয়েছেন। শুধু ১৩ নম্বর আসামি মাহবুব ওরফে বাবলুর জায়গায় সংযুক্ত করা হয়েছে আরেক ইজারাদার রফিকুন নবীর নাম।
দুদক পাবনার উপসহকারী পরিচালক জালাল উদ্দিন জানান, একটি মামলায় অভিযুক্তদের দ্বারা সরকারের ৭৬ লাখ ৩ হাজার ৬০০ টাকা এবং অপর মামলায় ২ লাখ ৩ হাজার ২৪৫ টাকা ক্ষতি দেখানো হয়েছে। যে টাকা বিধি মোতাবেক সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার কথা ছিল আসামিদের।
উল্লেখ্য, মেয়র আব্দুল বাতেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকুর আপন ছোট ভাই।
কেএইচ





