প্রায় একঘণ্টা বন্ধ থাকার পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের গেট খুলে দিলেন প্রিন্সিপাল ইসমাইল খান।
ইন্টার্ন চিকিৎসকরা ঢামেক জরুরি বিভাগের চিকিৎসা বন্ধ করে দিয়েছেন সংবাদ পেয়ে প্রিন্সিপাল ইসমাইল খান দ্রুত হাসপাতালে ছুটে এসে রোগীদের চিকিৎসার জন্য জরুরি বিভাগ খুলে দেন।
এর আগে রাত ১২টার দিকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের গেট বন্ধ করে দেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।
ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ওপর দুর্বৃত্তদের হামলার ঘটনায় দুই ইন্টার্ন চিকিৎসকসহ ৩ জন আহত হওয়ার প্রতিবাদে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসা বন্ধ করে দেন বিক্ষোভরত প্রায় দেড়শতাধিক ইন্টার্ন চিকিৎসক।
এসময় তারা পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মুস্তাফিজুর রহমানের পদত্যাগও দাবি করেন।
পরিচালকের পদত্যাগের দাবিতে তারা বিভিন্ন স্লোগান দেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ইন্টার্ন চিকিৎসক জানান,পরিচালক যতদিন পদত্যাগ না করছেন ততদিন ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে সব ধরনের চিকি‍ৎসা সেবা বন্ধ থাকবে।
এর আগে পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মুস্তাফিজুর রহমান উদ্ভুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে হাসাপাতালে এলে বিক্ষোভরকারী ইন্টার্ন চিকিৎসকদের তোপের মুখে সেখান থেকে চলে যান।
শনিবার রাত পৌনে ১০টার দিকে পুরান ঢাকার চাঁনখারপুলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ২ ইন্টার্ন ডাক্তারের ওপর হামলা চালিয়ে তাদের বেধড়ক পেটায় অজ্ঞাতপরিচয় দুর্বৃত্তরা।
দুর্বৃত্তরা ঢামেক হাসপাতালের এইচএমও ডা. মমিনুল ইসলামকে (৩০) বেদম পিটিয়ে তার মাথা ফাটিয়ে দেয়। এ হামলায় ডা. ফজলে বারী ও বোরহানউদ্দিন কলেজের শিক্ষার্থী নুরুল ইসলামও আহত হন।
ডা. ফজলে বারী জানান, আমরা মেডিসিন ও সার্জারি বিভাগের ছয়জন ডাক্তার মিলে রাতে চাঁনখারপুলের সোহাগ হোটেলে খেতে যাই। খাওয়া শেষ করে ফেরার সময় ১০-১৫ জন অজ্ঞাতযুবক খেলার স্ট্যাম্প ও হকিস্টিক নিয়ে আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
তিনি বলেন, দুর্বৃত্তরা আমাদের জিজ্ঞেস করে,আমরা ঢামেকের ইন্টার্ন ডাক্তার কিনা। উত্তরে হ্যাঁ বললে ওরা আমাদের বেধড়ক পেটাতে থাকে। তবে কারা এবং কেন এই হামলা চালিয়েছে এ ব্যাপারে কিছু বুঝতে পারছেন না বলে জানান ডা. বারী।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই মোজাম্মেল হক।
[b]ঢাকা,১০ মে (টাইম নিউজ বিডি)/কেএ[/b]