চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে। বহুল আকাঙ্ক্ষার এ ভোটগ্রহণ শুরু হয় সকাল থেকে।

মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে নগরীর ৭১৯টি ভোটকেন্দ্রে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। ভোটগ্রহণ শুরুর আধাঘণ্টার মধ্যে নগরীর কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

ভোট শুরুর মুহূর্তে নগরীর জামালখান সড়কের খাস্তগীর উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে গিয়ে দেখা গেছে, ভোটার উপস্থিতি কম এবং বিপুল সংখ্যক আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী দায়িত্ব পালন করছে। কয়েকজন ভোটারের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণ চলছে।

এ দিকে ভোটগ্রহণ সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে এবং ভোটারদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দিতে মাঠে নেমেছে ২১ হাজার ফোর্স।

চট্টগ্রাম বন্দরনগরীকে ছয়টি জোনে ভাগ করে আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর এই ২১ হাজার সদস্য সোমবার রাত থেকেই দায়িত্ব পালন করেছে। সোমবার রাতের মধ্যেই নগরীর ৭১৯টি ভোটকেন্দ্রে পৌঁছে গেছে পুলিশ ও আনসার সদস্যরা। রাস্তায় টহলে রয়েছে র‌্যাব ও বিজিবি।

পুলিশ জানায়, ভোটগ্রহণ শুরুর পর থেকে নগরীর কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর নেই পুলিশের কাছে।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার আবদুল জলিল মন্ডল বলেন, ‘চট্টগ্রামে ৭১৯টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৫৯৫টি ভোটকেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ বা গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এ সব ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রের বাইরে নগরীর অন্তত অর্ধশত পয়েন্টে চেক পোস্ট বসানো হয়েছে।

প্রতিটি চেক পোস্টে তল্লাশি করে সর্বসাধারণকে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে। এ ছাড়া নির্বাচন কমিশনের স্টিকার ছাড়া নগরীতে সব ধরনের যানবাহন চলাচল সোমবার রাত ১২টা থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার রাত ১২টা পর্যন্ত যানবাহন চলাচলের ওপর এই নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে।’

এ দিকে সকাল ৮টা থেকে শুরু হওয়া এই ভোটগ্রহণ শেষে সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম এম এ আজিজ স্টেডিয়ামের তৃতীয় তলায় স্থাপিত অস্থায়ী নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে ফল ঘোষণা করা হবে। বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র থেকে প্রিজাইডিং অফিসাররা ব্যালট পেপার ও ব্যালট বাক্স এনে এই নিয়ন্ত্রণ কক্ষেই জমা করবেন। সেখান থেকে বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হবে।

এমকে