সাগরে সৃষ্ট নিম্ম চাপের প্রভাবে অতি জোয়ারে ভোলার উপকূলীয় এলাকার বাঁধের ভেতর ও বাইরের অন্তত ২০ টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।
এতে পানি বন্ধি হয়ে পড়েছে হাজার হাজার মানুষ। চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছেন এ সব এলাকার মানুষ । ক্ষতিগস্থ হতে চলছে কৃষকের ফসলি জমি।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সোমবার দুপুর থেকে ভোলার নদ-নদীর পানি বিপদ সিমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এতে তলিয়ে গেছে মনপুরা উপজেলার কলাতলী, চর নিজাম ও ঢালচরসহ ৬টি গ্রাম, দৌলতখান উপজেলার হাজিপুর, নেয়ামতপুর ও মেদুয়া ইউনিয়নের ৯টি গ্রাম ও চরফ্যাশনের কুকরী-মুকরী, ঢালচর, চর পাতিলাসহ ৬টি গ্রাম ।
ঢালচর ইউপি চেয়ারম্যান কালাম পাটোয়ারী বলেন, ঢালচর ইউনিয়নের নিচু অধিকাংশ এলাকায় প্লাবিত হয়েছে। সকাল থেকে ঝড়ো বাতাস বইছে এতে নদী ও সাগর উত্তাল রয়েছে।
কুকরী-মুকরী ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হাসেন জানান, গত ২ দিন ধরে প্রবল জোয়ারে কুকরী-মুকরীর বেশীরভাগ এলাকা প্লাবিত হয়ে পানি বন্ধি হয়ে পড়েছেন মানুষ।
দৌলতখান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুস্তাফিজুর রহমান জানান, দৌলতখানের বেশ কিছু নিচু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। বাধের বারের এলাকায় পানি ঢুকলেও ভাটা এলে পানি সরে যাবে।
এদিকে, সোমবার সকাল থেকে জেলা জুড়ে কখনও জড়ো বাতাস, কখনও ভারী বর্ষন আরো ঘুর্নিঝড় প্রবাতি হচ্ছে। এতে উত্তাল হয়ে উঠেছে নদী মোহনা। দুর্ঘটনার আশংকা জেলে নৌকা ও ট্রলারগুলো তীরের কাছাকাছি এসে অবস্থান করতে দেখা গেছে। কেউ কেউ আবার বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষ করেও নদীতে মাছ শিকার করছে।
ভোলা দুর্যোগ ও ব্যবস্থাপনা দপ্তরের পরিচালক মো: সাহাবুদ্দিন বলেন, ভোলায় ৩ নাম্বার সতর্ককতা সংকেত চলছে। যে কোন দুর্যোগ মোকাবেলায় সেচ্ছসেবককর্মীদেরকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
এছাড়াও লোকজনকে সতর্কস্থানে থাকতে বলা হয়েছে। নি¤œচাপের প্রভাবে এ বৈরী আবহাওয়া বিরাজ করছে।
এসএইচ





