কক্সবাজারে ৫ ফুট উচ্চতা জলোচ্ছ্বাস হয়েছে। এতে জেলার ৮টি উপজেলার ২৮টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে এ জলোচ্ছ্বাস শুরু হয়ে এখনো বলবৎ রয়েছে।
কোমেনের প্রভাবে জেলার অধিকাংশ নিম্নাঞ্চলে ৩/৫ ফুট উচ্চতার পানি উঠেছে বলে জানান কক্সবাজারের আবহাওয়াবিদ একেএম নাজমুল হক।
ঘূর্ণিঝড় কোমেনে বাতাসের গতিবেগ ছিলো ৬২ থেকে ৮৮ কিলোমিটার। এছাড়া কোমেন দুপুর নাগাদ চট্টগ্রাম অতিক্রম করতে পারে বলেও তিনি জানান। বর্তমানে কোমেনের অবস্থান কক্সবাজার থেকে ৬০ কিলোমিটার ও চট্টগ্রাম থেকে ৭৫ কিলোমিটার অদূরে রয়েছে।
এদিকে, সেন্টমার্টিনে ঝড়ো হাওয়ায় গাছ পড়ে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। টেকনাফে অর্ধ শতাধিক বসতবাড়ি বিধস্ত হয়েছে। তবে জেলা প্রশাসনের পূর্ব প্রস্তুতি থাকায় ক্ষয়ক্ষতি খুব একটা হয়নি।
জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, জলোচ্ছাসে সদর উপজেলার ৬টি, রামুর ১টি, চকরিয়ার ৪টি, পেকুয়ার ৪টি, কুতুবদিয়ার ৭টি, মহেশখালির ৩টি, উখিয়ার ১টি ও টেকনাফের ২টি ইউনিয়ন কোমেনের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
কক্সবাজারের দুর্যোগ ও ত্রাণ কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর কবীর জানান, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ হিসেব করা হয়নি। তবে ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ অব্যাহত রয়েছে।
কক্সবাজার বিমানবন্দরের ম্যানেজার সাধন কুমার মুহন্ত জানান, বিমানের সব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া বিমানের সব সরঞ্জাম সরিয়ে ফেলা হয়েছে।
এআই





