অবরোধ চলাকালে ১২ জানুয়ারি মধ্যরাতে যশোরে পিঁয়াজবাহী ট্রাকে আগুন দেয়ার ঘটনায় আওয়ামী লীগ কর্মী ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য মুজিবর রহমানের বিরুদ্ধে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করেছে। এছাড়া গতবছর ২ অক্টোবর নাশকতা মামলায়ও তিনি আসামি হয়েছেন। শুধু তাই নয়, আরো দুটি মামলায় তাকে আসামি করা হয়েছে।
মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কথা বলায় প্রশাসনের কতিপয় দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা ওই নেতাকে হেনাস্তা করতে পুলিশের সঙ্গে যোগসাজসে এমামলা দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে ওই নেতা।
সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টায় প্রেসক্লাব যশোরে সংবাদ সম্মেলন করে এসব অভিযোগ করেন ইউপি সদস্য মুজিবর রহমান। এরআগে এ মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার দাবিতে এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে ভুক্তভোগী তিনি পুলিশ সুপারের কাছে স্মারকলিপি দেন।
মুজিবর রহমান বলেন, তিনি আওয়ামী লীগের একজন সক্রিয় কর্মী ও শহরতরীর চাঁচড়া ইউনিয়ন পরিষদের ৯নং ওয়ার্ড থেকে নির্বাচিত সদস্য। এলাকায় মাদক বেচাকেনার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলায় তার বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র চলছে। এমনকি মাদক ব্যবসায়ীরা প্রশাসনের কতিপয় দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় অব্যাহত মিথ্যা মামলা দায়ের করছে। ইতোমধ্যে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানায় মার্ডার, নাশকতা, বিস্ফোরক মামলা দেয়া হয়েছে। এরমধ্যে দুইটি মামলার বাদী পুলিশ ও অন্য দুইটির বাদী মাদক ব্যবসায়ীরা। তিনি অবিলম্বে এসব মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলন ও স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন- সদর উপজেলার চাঁচড়া ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুর রাজ্জাক ফুল, জেলা মৎস্য চাষী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার করিম আনু, চাঁচড়া ইউপির ৯নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি শেখ মোসলেম প্রমুখ।
তবে এ বিষয়ে যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) ফয়েজ আহম্মদ বলেন, অপরাধ করলে আওয়ামী লীগ কিংবা বিএনপির রাজনীতি দেখা হয় না। তবে তদন্ত শেষে তিনি দোষী না হলে মামলা থেকে মুক্তি পাবেন। আর প্রমাণ পেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
জেআই





