স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, ‘দেশের চলমান নাশকতা ও সহিংসতা প্রতিরোধে অবরোধকারীদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। অবরোধ ও হরতালের নামে বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাসী তৎপরতা ও নাশকতা প্রতিরোধে পলাশবাড়ী উপজেলাসহ গোটা জেলার মুক্তিযুদ্ধের সকল শক্তিকে ঐক্যবদ্ধভাবে জনপ্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।’
তিনি বলেন, অবরোধ-হরতালের নামে যারা নাশকতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করছে, ওইসব সন্ত্রাসীদের কোনভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না। এ জন্য আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে পাড়ায়-মহল্লায় প্রতিরোধ কমিটি গঠন করারও আহবান জানান তিনি।
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত সহিংসতা ও নাশকতাবিরোধী জনসভা আয়োজিত হয়। পলাশবাড়ী এস এম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত রবিবার বিকেলের জনসভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম এসব কথা বলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী নাসিম বলেন, ‘২০১৯ সালের আগে এ দেশে আর কোনো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে না। এ নিয়ে কারও সঙ্গে কোনো আলোচনা করারও আগ্রহ নেই ১৪ দলের। যারা সন্ত্রাসী তৎপরতা চালিয়ে দেশের অসহায় মানুষকে হত্যা করছে তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসার অর্থই হচ্ছে জনগণকে অবমূল্যায়ন করা।’
তিনি খালেদা জিয়ার উদ্দেশ্যে বলেন, ‘তাকে কেউ অবরুদ্ধ করে রাখেনি। তিনি নিজেই অবরুদ্ধ হয়ে বিএনপি-জামায়াত-শিবিরের সন্ত্রাসী ক্যাডারদের লেলিয়ে দিয়েছেন। তারা এখন হরতাল-অবরোধের নামে জ্বালাওপোড়াও ও অগ্নিসংযোগ করে অসহায় মানুষকে পুড়িয়ে মারছে। মা-বোন শিশুদেরও নির্বিচারে হত্যা করছে। এ অবস্থা আর বরদাস্ত করা হবে না। এ জন্য তাকেও (খালেদা জিয়া) বিচারের সম্মুখীন হতে হবে।’
পলাশবাড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি তোফাজ্জল হোসেনের সভাপতিত্বে জনসভায় বক্তব্য রাখেন জাসদের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধান এমপি, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি, গাইবান্ধা-৩ (পলাশবাড়ি-সাদুল্যাপুর) আসনের সংসদ সদস্য ডা. ইউনুস আলী সরকার, গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ, সংরক্ষিত সংসদ সদস্য (গাইবান্ধা-জয়পুরহাট) এ্যাডভোকেট উম্মে কুলসুম স্মৃতি প্রমুখ।
জেআই





